অযোধ্যায় রাম মন্দির তৈরি হওয়া উচিত, মন্দির তৈরিতে আমি সোনার ইট দেবো দাবি বাবরের বংশধরের..

রাজকুমার হাবিবুদ্দিন তুসি। এই নামটা হয়তো আমরা অনেকেই এই প্রথম শুনলাম। তবে,এনার পরিচয় উনি নিজেই দেন। তার দাবি, শেষ মোগল সম্রাট বাদশাহ বাহাদুর শাহ জাফরের বংশধর তিনি। এবং তিনি নিজে থেকে জানান অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ কার্যের জন্য সোনার ইট দান করতে চান। কিন্তু তিনি একটি শর্ত দিয়েছেন। সেই শর্তটি হলো, বাবরি মশজিদ-রাম জন্মভূমির এলাকাটি তার হাত দিয়ে উদ্বোধন করা হোক। কারণ, যেহেতু তিনি বাদশা বাবর এর বংশধর তাই ওই জমির মালিক তিনি।

গত রবিবার তুসি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট জমিটি যদি তাকে দেন তাহলে রাম মন্দির নির্মাণের জন্য তিনি সোনার ইট দান করবেন। তার মতে, তিনি মানুষের ভাবাবেগকে মূল্য দেন। তার বিশ্বাস, রাম মন্দির ধ্বংস করে বাবরি মসজিদ গড়ে উঠেছিল। 1992 সালে 6 ডিসেম্বর কয়েকশো করসেবক সেই মসজিদ ভেঙ্গে ফেলে। জানা গিয়েছে তুসি সুপ্রিম কোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন যে, রাম জন্মভূমি নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট যে শুনানি চলছে তাতে তাকে একটি পক্ষ বলে বিবেচনা করা হোক।


কিন্তু তার দাবি এখনো খতিয়ে দেখেনি সুপ্রিম কোর্ট। তুসি জানান জমির কোন নথিপত্র আমার কাছে নেই কিন্তু অযোধ্যায় বাকিরা যারা ওই জমিটি নিজেদের বলে দাবি করছেন তাদের কাছে কোন প্রমাণ পত্র নেই যে তারা ওটা প্রমাণ করতে পারবে যে জমিটি তাদের। মোগল বাদশাহদের বংশধর হিসেবে ওই জমির উপর তার অধিকার আছে। তিনি সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছেন যে রাম মন্দির নির্মাণের জন্য ওই জমি দান করবেন। তুসি জানান যে তিনি তিনবার অযোধ্যায় গিয়েছেন এবং অস্থায়ী মন্দির নির্মাণের জন্য প্রার্থনা করেছেন।এখন রাম লালার মন্দিরে পুজো দিয়ে দ্রুত মন্দির স্থাপন করার প্রার্থনা করছেন তিনি। তবে, পূর্বে রাম মন্দির ধ্বংস করার জন্য হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে ক্ষমাও চেয়েছেন তিনি। ক্ষমা প্রার্থনার প্রতীক হিসেবে নিজের মাথায় স্থাপন করেছেন ‘চরণ পাদুকা।’

Related Articles

Close