মেয়ের ধর্ষক-খুনিদের ফাঁসি নয়, বরং জ্যান্ত পুড়িয়ে মারা হোক চাইছেন হায়দ্রাবাদের মৃতা পশু চিকিৎসকের মা

হায়দ্রাবাদের শামসাবাদের অঞ্চলে ডঃ প্রিয়াঙ্কা রেড্ডির পুড়ে যাওয়া শবদেহ মেলার পর থেকে দেশজুড়ে আক্রোশ সৃষ্টি হয়েছে। 26 বছর বয়সী প্রিয়াঙ্কা রেড্ডিকে ধর্ষণ করার পর পুড়িয়ে মারা হয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনায় মানুষের আক্রোশ চরম সীমায় পৌঁছে যাওয়ার পর পুলিশ তদন্তে নেমে 4 জনকে গ্রেফতার করেছে। চার জনের মধ্যে মূল অভিযুক্তকে প্রথমেই গ্রেফতার করা হয়েছিল। মূল অভিযুক্ত এর নাম মহম্মদ পাশা, যাকে CCTV ফুটেজের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হয়েছে।

সকল দেশবাসী এখন একজোট হয়ে অবিলম্বে এই ধর্ষণকারী দোষীদের মৃত্যুদণ্ড দেয়া হোক বলে দাবি তুলেছে। কিন্তু নির্যাতিতার মা চাইছেন এইসব দোষীদের ফাঁসি নয় বরং একইভাবে পুড়িয়ে মারা হোক যাতে তাদের চিৎকার সকল দেশবাসী শুনতে পায়। তবে শুধু তাই নয় এখন এই কাণ্ডের জেরে হায়দ্রাবাদের পুলিশের ভূমিকা কে নিয়েও একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। মেয়ের খোঁজ নিয়ে পুলিশ থানায় ডায়েরি করতে গিয়ে এক থানা থেকে অন্য থানা ঘুরতে হয়েছে তরুনীর বাবা-মাকে, কোনোও সহযোগিতায় পাননি তারা। সর্বভারতীয় এক  সংবাদমাধ্যমের কাছে মৃত্যের বাবা জানান,রাত সাড়ে নটা নাগাদ মেয়ের ফোন বন্ধ পেয়ে প্রথমে ভাবি ফোনে চার্জ হয়তো শেষ হয়ে গিয়েছে কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যে চিন্তা শুরু হয় পরিবারে। অবশেষে টোলপ্লাজায় খুঁজে না পেয়ে থানায় যাওয়া হয়, তবে দুটি থানার কনস্টেবল তখন ডাইরি নিতে চাননি। তারপরে নিজেই খোঁজাখুঁজি শুরু করেন টানা 5 ঘন্টা পরে রিপোর্ট নেয় পুলিশ।তবে এখন পুলিশের ওপর যে অভিযোগ উঠেছে সেটি হল টোলপ্লাজায় জাতীয় সড়কের কাছে আন্ডারপাসের পুলিশের রোজ রাত নটার পরে টহল দেওয়ার কথা তাহলে কীভাবে এমন এক ঘটনা ঘটলো সে নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

তবে আপাতত এই ঘটনার জেরে চারজন ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ আর এই ধর্ষকদের যাতে মৃত্যুদণ্ড দিতে দেরি না হয় সে ক্ষেত্রে আওয়াজ তুলতে শুরু করেছে দেশের জনগণ। তবে পশু চিকিৎসক প্রিয়াঙ্কা রেড্ডির মা জানিয়েছেন তিনি চান মেয়েদের ধর্ষক খুনিদের জীবন্ত জ্বালিয়ে দেওয়া হোক।এদিকে এই ঘটনার জেরে দিল্লি থেকে শুরু করে কলকাতা, হায়দ্রাবাদে সব জায়গায় বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। এ ক্ষেত্রে একাধিক জনতা দাবি করছে যে এইসব অপরাধীদের যাতে জনতার হাতে তুলে দেওয়া হোক এবং দেশের জনতায় বুঝে নেবে এইসব অপরাধীদের সাথে কি রকম ব্যবহার করা যাবে।তাই কোনমতে বহু নিরাপদ তার মধ্যে এই খুনিদের হায়দ্রাবাদ জেলে নিয়ে আসে পুলিশ। ইতিমধ্যে জেলের বাইরেও অতিরিক্ত নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়েছে।