নতুন খবরবিশেষরাজনৈতিক

কথা দিয়ে কথা রাখলেন নরেন্দ্র মোদি! গ্রাহকদের একাউন্টে ঢুকছে দেদার টাকা….

সরস্বতী পূজাতে বিদ্যালাভের আশাতে লক্ষী লাভ। এমনই অবাক হওয়ার মতন এক ঘটনা ঘটলো পূর্ব মেদিনীপুর জেলার এগরায়। এই গ্রামের সকলে যখন সরস্বতী পুজোতে ব্যস্ত তখন সবারই একাউন্টে ঢুকলো টাকা। হঠাৎ করে হাজার হাজার টাকা একাউন্টে ঢোকাতে সেই টাকা তুলতে লাইন পড়ে যায় স্থানীয় এটিএম গুলিতে। এগরা 1 ব্লকের আমদপুর এবং বরদা গ্রামের ব্যাংক গ্রাহকদের গত কয়েকদিন ধরে রোজ টাকা ঢুকেছে। খবর অনুযায়ী এখনো পর্যন্ত 200 জনেরও বেশি গ্রাহকদের একাউন্টে 5 হাজার টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ 25 হাজার টাকা পর্যন্ত ব্যাংক একাউন্টে ঢুকেছে। ভূমিহীন, স্কুল পড়ুয়াদের প্রায় রোজই ব্যাংক একাউন্টে ঢুকছে টাকা কম বেশি।কিন্তু কোথা থেকে আসছে এ টাকা তা নিয়ে কৌতুহল সৃষ্টি হচ্ছে গ্রাহকদের মনে।

কিছুদিন আগের ঘটনা, পূর্ব বর্ধমানের রায়না গ্রামের একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে আচমকা হাজার হাজার টাকা ঢুকে যাওয়ায় ব্যাপক আলোড়ন দেখা দিয়েছিল। এগারাতে অবশ্য কোন একটি নির্দিষ্ট ব্যাংকে টাকা ঢোকার সীমাবদ্ধতা নেই। এমন ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর ছয় মাসের মধ্যে হইচই শুরু হয়ে যায়। এই টাকা কোথা থেকে আসছে সেন সম্পর্কে কোনো কথা বলেননি ব্যাঙ্কের আধিকারিক, এমনকি মিডিয়ার সামনে তারা কিছু বলেনি। তবে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের ম্যানেজার বলেন, ‘ ওখানে শুধু উল্লেখ করা রয়েছে এআইসি থেকে টাকা গ্রাহকদের একাউন্টে ক্রেডিট হয়েছে।’ পুরো বিষয়টি নিয়ে তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন এগারা 1 ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক বংশীধর ওঝা। তবে অনেক গ্রাহক বলছেন এটা কৃষক বীমার টাকা। আবার রাজনীতির প্রসঙ্গ টেনে নিয়ে অনেকে বলছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতিশ্রুতি পালন করার জন্য কালো টাকা উদ্ধার করে তা সাধারণ মানুষের মধ্যে বিলিয়ে দিচ্ছেন।

তবে টাকা পাওয়ার উৎস নিয়ে কারো মাথাব্যাথা তেমন নেই। কারণ টাকা যেখান থেকেই আসুক না কেন টাকা তো টাকায়। তাই গ্রাহকরা রোজি ব্যাংকে এবং এটিএম এর লাইন দিচ্ছে। অনেক গ্রাহক আবার ব্যালেন্স দেখতে লাইনে দাঁড়ান। উৎস না জানা এটা কার ভাগ পেয়েছেন মৃত্যুঞ্জয় মান্না নামের এক বাসিন্দার। এনার একাউন্টে 10000 টাকা ঢুকেছে বলে জানান তিনি। এছাড়াও 22 হাজার টাকা পেয়েছেন জ্ঞানেন্দ্র পড়িয়াডি। তবে অনেকে আবার আতঙ্কে রয়েছেন যে পরে সুদ সমেত পুরো টাকা কেটে নেবে না তো।

Related Articles

Back to top button