ভারতীয় ক্রিকেট টিমে শেষ হতে পারে মহম্মদ শামির ক্যারিয়ার, BCCI সুযোগ দিতে চলেছে এই তরুণ বোলারকে

করোনার মতো মহামারীর পর বহু চেষ্টা প্রচেষ্টার পর গত অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছিল টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। আর এই বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে। আর এই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বিজয়ী হয়েছে অস্ট্রেলিয়া। এই বিশ্বকাপে ভারতের অবস্থা করুন ছিল। ভারতের সাধারণত ক্রিকেট খেলার প্রদর্শনী চমকপ্রদ হয়। কিন্তু এইবার ভারত জেতার তো দূরের কথা সেমিফাইনালের ধারের কাছেও পৌঁছাতে পারেনি। প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচ নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে পরাস্ত হবার ফলে পরবর্তী পর্যায়ে পৌঁছানোর আশা সম্পূর্ণভাবে শেষ হয়ে যায় ভারতের।

আর এর পিছনে বড় ভূমিকা ছিল নিউজিল্যান্ডের ক্যাপ্টেন উইলিয়ামসনের। আর ভারত এই হারের বদলা নিতে পারবে আগামী 17 নভেম্বর। কারণ, সেদিন থেকেই শুরু হতে চলেছে ভারত নিউজিল্যান্ড টি টোয়েন্টি সিরিজ। এইবার ভারত নিজের গোড়া শক্ত করে তৈরি হচ্ছে আগামী খেলার জন্য। তার জন্য কিছু সিনিয়র খেলোয়াড় কে বিশ্রাম দেওয়ার সুযোগ দিয়েছে। তাদের বদলে দলে জায়গা হয়েছে বেশ কিছু তরুণ প্রতিভার। তেমনভাবেই এমন একজন পুরনো খেলোয়ারও দলে ফিরেছেন।

তিনি একা হাতেই সম্পূর্ণ ম্যাচের দায়িত্ব নিতে পারবেন। মূলত টেস্ট ক্রিকেটে লাল বল হাতে দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন মোঃ সিরাজ। অস্ট্রেলিয়ান দলকে অস্ট্রেলিয়ায় সম্পূর্ণ পরাজিত করতে এবং ইংল্যান্ডের মাটিতে ইংল্যান্ডকে নাজেহাল করতে যথেষ্ট বড় ভূমিকায় ছিলেন তিনি।এমনকি এবারের আইপিএলেও 11 টি উইকেট দখল করেছিলেন মহম্মদ সিরাজ। তার বিধ্বংসী ফর্মকে কাজে লাগাতেই একবার বিশ্বাস করে তাকে সুযোগ দিয়েছেন বিসিসিআই ক্রিকেট বোর্ড।

অনেক বিশেষজ্ঞদের মতে, আগামী দিনে এই বলার যদি টেস্টের মত টি টোয়েন্টিতেও নিজেকে প্রমাণ করতে পারেন, তাহলে মাশুল গুনতে হবে মহম্মদ শামিকে৷ একথা ঠিক যে শামি একজন দুর্দান্ত খেলোয়ার কিন্তু একইসঙ্গে মনে রাখা দরকার গোটা বিশ্বকাপ জুড়ে তিনি যথেষ্ট করতে রান দিয়েছেন বিপরীত দলকে।

আর এইসব কারণগুলির জন্যই আগামী খেলাগুলোতে সিরাজ কে গ্রুমিং করতে চাইছে বিসিসিআই। কারণ সামির মত সেই পারদর্শিতা না থাকলেও, সিরাজের হাতে রয়েছে যথেষ্ট সুইং। কিন্তু এটাও মনে রাখতে হবে যে লাল বলের খেলা এবং সাদা বলের খেলা সম্পূর্ণ আলাদা। এর আগে ভারতীয় দলের হয়ে সাদা বলে ততখানি সফল আনতে পারেনি সিরাজ। তাই সিরাজকে যথেষ্ট সক্রিয় থাকতে হবে নিজেকে দলে টিকিয়ে রাখার জন্য।