নির্বাচনের আগে আরও একবার রাজ্যে আসতে চলেছেন নরেন্দ্র মোদি, 3 ই এপ্রিল রাজ্যে হতে চলেছে ব্রিগেডে জনসভা…

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ফ্যানের সংখ্যা যতটা বলা যাবে ততটাই কম। সারা বিশ্বজুড়ে নরেন্দ্র মোদির ফ্যান রয়েছে। এ রাজ্যের মোদী ভক্তদের জন্য খুবই সুখবর আসতে চলেছে। 3 ই এপ্রিল রাজ্যে আবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আসতে চলেছেন। এই দিনে তিনি বিগ্রেড এর জনসভায় যোগ দেবেন বলে জানিয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এ কথা জানিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ” 23 মে পশ্চিমবঙ্গ থেকে মোদীজি কে 23 টি আসন উপহার দিতে চাই আমরা। আপনারা আমাকে সেই অধিকারটুকু দেন।” তৃণমূল, কংগ্রেস এবং সিপিএমের দল ছেড়ে যারা বিজেপিতে নতুন যোগ দিয়েছেন, তারা প্রত্যেকে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমাদের দলে এসেছেন।

এই দিন ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে দলের এক বিশেষ কার্যকর্তা দিলীপ ঘোষ এ কথা বলেন। বিজেপির প্রতি আস্থা রেখে যারা চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন তাদেরকে অভিনন্দন জানান তিনি। এই বৈঠকে দলের জেলা সভাপতি ও রাজ্য নেতাদের উদ্দেশ্যে দিলীপ ঘোষ নানান পরামর্শ দেন। তিনি বিজেপি নেতাদের বলেন, ” ঘরে ঘরে গিয়ে প্রত্যেকটি মানুষকে বলুন, ভোটটা দিন। তারপর আমরা ব্যবস্থা করবো। মানুষদের কাছে গিয়ে গিয়ে বলুন, মোদী জিতবেন। ভোট দিয়ে তাঁর হাতকে আরও শক্ত করুন। এরপর বিল পাস করাতে মোদীজি কে যেন অন্য দলের কাছে না যেতে হয়। এতে আপনাদেরই উন্নয়ন হবে।” উল্লেখ্য রাজ্যে দোল উৎসবের দিন 28 টি আসনের প্রার্থী ঘোষণা করেছে বিজেপি। কিন্তু প্রার্থী ঘোষণা করার পর থেকেই বিজেপি স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে নানান ধরনের অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। কারণ অনেকেই বিজেপিতে নতুন যোগদান করে ভোটের টিকিট পেয়ে গেছে। এমনকি ঘোষিত প্রার্থীর বিরুদ্ধে পোস্টার লাগানো হয়েছে বেশ কয়েকটি জায়গায়।

শুধু এখানেই নয় অনেকেই রাজ্য সহ-সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এত কিছুর পরেও দলীয় ক্ষোভের আঁচ যাতে নির্বাচনের উপর না পরে তার জন্য রাজ্য বিজেপি সব সময় সতেজ রয়েছে। এই বৈঠকে বিজেপির অনেক উঁচু পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়, রাহুল সিনহা, শমীক ভট্টাচার্য, মুকুল রায়, অর্জুন সিং, অনুপম রায়, ভারতী ঘোষ, লকেট চট্টোপাধ্যায় সহ আরও অনেকেই।