ঘুম উড়লো পাক ও চীন সেনার! এবার ভারতীয় জওয়ানদের জন্য বর্ডারে সাহসিক পদক্ষেপ নিলেন প্রধানমন্ত্রী।

এক রিপোর্টে দেখা গেছে বিগত 60 বছর ধরে ভারত-চীন সীমান্তে কংগ্রেস সরকার যে কাজ করেননি, বর্তমানে মোদি সরকার তা সাড়ে চার বছরে করে ফেলেছে।কিছুদিন আগে বিগিবিল ব্রিজের নির্মাণ কার্য এবং এবং কদিন আগে অরুণাচল প্রদেশ এয়ারপোর্ট নির্মাণ কার্য এর প্রস্তাব সবকিছুই মোদি সরকার পদক্ষেপ নিয়ে এগিয়ে আসছে। এমনকি সেনার সুরক্ষার কথা ভেবে আরেক ধাপ এগিয়ে গেছে মোদি সরকার। খবর পাওয়া যাচ্ছে যে মোদি সরকার ভারত ও চীন সীমান্তের মধ্যে 44 টি সড়ক নির্মাণ করবে। শুধু এই নয় এর সাথে পাকিস্তান ঘেষা পাঞ্জাব ও রাজস্থান এর এলাকায় 2100 কিলোমিটার কিছু মুখ্য সম্পর্কিত পথ তৈরি করার কথা ভাবছে মোদি সরকার।


যখন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ছিলেন তখন চীনের হুমকি কে ভয় পেয়ে তিনি অরুণাচল যাত্রা বাতিল করে দিয়েছিলেন। এ পথ ভুলে করার কারণ হল সীমান্তে এরকম অনেক সেনাদের ক্যাম্প রয়েছে যেখানে কোন সাহায্য পাঠাতে গেলে পথ খুঁজে পাওয়া যায় না। কিন্তু পথগুলি নির্মাণ হয়ে গেলে সেই সমস্যা থাকবে না বলে মনে করা হচ্ছে। আগের সরকার অর্থাৎ কংগ্রেসের সরকার এই সমস্ত কিছু জানতো কিন্তু কোন কাজ না করে হাত গুটিয়ে বসে ছিল। কিন্তু মোদি সরকার সাড়ে চার বছরে তা করেনি, সেনাদের নিরাপত্তার কথা ভেবে অনেক পদক্ষেপ নিয়েছেন। এক সরকারি আধিকারিক বলেছেন, রাজস্থান এবং পাঞ্জাব পাক সীমান্ত এলাকায় 5400 কোটি টাকা খরচ করবে। এক রিপোর্ট অনুযায়ী জানতে পারা গেছে যে CPWD কে ভারত-চীন, ভারত-পাক, সীমান্তের রাজ্যে 44 টি সড়ক নির্মাণ করার দায়িত্ব দিয়েছে মোদি সরকার।


এই মুখ্য সড়ক গুলি সেনাদের সামরিক শক্তি অনেকটাই বাড়িয়ে দেবে। ওই সড়ক গুলি দ্বারা সেনাদের ক্যাম্পে খুব সহজেই জিনিসপত্র পৌঁছানো যাবে। এমনকি যেকোনো পরিস্থিতিতে সেনাদের অন্য জায়গায় পাঠানো যাবে।আগের বছরে ডোকলামে সড়ক নির্মাণ কে কেন্দ্র করে চিন ভারতীয় সেনাদের মধ্যে ছোট ছোট সংঘর্ষ লেগেই থাকতো। কিন্তু এখন ভারত সীমান্তের উপর সড়ক নির্মাণের উপর বেশি জোর দিয়েছে মোদি সরকার যাতে সেনাদের সমস্ত রকম সুবিধা দেওয়া যায়।