ভোটার কার্ড নিয়ে কেন্দ্রের তরফ থেকে বেরিয়ে এলো বড়সড়ো পরিকল্পনা, ভোটার কার্ডে আসতে চলেছে বড় পরিবর্তন..

মোদী সরকার ক্ষমতায় আসার পরই আধার কার্ড কে দেশের নাগরিক তথ্য হিসাবে সকল সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরেন। তবে আধার কার্ড আসার পরও দেশের অন্যতম নাগরিক তথ্য-প্রমাণ হিসাবের মধ্যে অন্যতম উল্লেখযোগ্য ছিল ভোটার কার্ড। এমন অনেক জায়গায় থাকতো যেখানে ভোটার কার্ড কেই বেশি প্রাধান্য দেওয়া হত যার দরুন ভোটার কার্ড  ছাড়া হতো না সে কাজ তাই অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যায় তৈরি হত।

তারপর আবার কিছুদিন আগেই ভোটার কার্ডের সঙ্গে আধার কার্ডকে সংযুক্তি করণের কথা জানিয়েছে কেন্দ্র সরকার। আর তারপর থেকেই ভোটার কার্ডের গুরুত্ব আরো অনেক গুণ বেড়ে গেছে সাধারণ মানুষের কাছে। তবে যেভাবে বিজেপি সরকার দেশজুড়ে এনআরসি করার পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন তাতে অনেক মানুষের মনে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে এই এনআরসি (NRC) কে নিয়ে আর তারফলেই আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে ভোটার কার্ড।

এবার সারাদেশে ভোটারদের জন্য নতুন করে পরিচয় পত্র দিতে চলেছে নির্বাচন কমিশন। এবার এই পরিচয়পত্রে থাকবে রঙিন ছবি থাকবে বার কোডও। আর যে কার্ড গুলি হতে চলেছে প্লাস্টিকের যার কাজ শুরু হয়ে গেছে ইতিমধ্যে কর্নাটকে। একথা কর্ণাটকের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক সঞ্জীব কুমার সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন।সংবাদ মাধ্যমকে দেওয়া এই সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন এবার যে নতুন ভোটার কার্ডটি তৈরি হতে চলেছে সেটিতে থাকবে সেই ভোটদাতাদের রঙিন ছবি।

তবে এটিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে, এর সাথে সাথে এটাও চেষ্টা করা হচ্ছে কীভাবে আরও সুরক্ষিত করে তোলার এই কার্ডটিকে। আর গোটা দেশজুড়ে একইরকমের ভোটার কার্ড চালু করা হবে একথা জানান তিনি।শুধু তাই নয় এবার যে ভোটার কার্ডটি তৈরি করা হচ্ছে তাতে থাকবে বারকোড একথা কর্ণাটকের মুখ্য নির্বাচনী অধিকারীক সঞ্জীব কুমার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন। আর তিনি এও জানিয়েছেন যে এবার যে কার্ডটি তৈরি করা হচ্ছে সেটি হবে প্লাস্টিকের। প্রত্যেকটি কার্ডে থাকবে হলোগ্রামও। সাথে সাথে প্রত্যেকটি কার্ডে থাকবে বারকোড ও আর এক্ষেত্রে প্রত্যেক ভোটদাতাদের বারকোড একে অপরের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হবে। বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে এটা চেষ্টা করা হচ্ছে যে এবার এই বার কোডের মাধ্যমে ভোটার তালিকায় থাকা উপযুক্ত তথ্যগুলিকে যুক্ত করে দিতে। যার মাধ্যমে ভবিষ্যতে ভোটারদের নাম, ঠিকানা, জন্ম, তারিখ এবং অন্যান্য তথ্য এই বার কোডের মাধ্যমে পাওয়া যেতে পারে।

আপাতত এই ভোটার কার্ডটি নির্মাণ করার জন্য 30 টাকা মূল্য নির্ধারিত করা হয়েছে।সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী তিনি বলেছেন নতুন ভোটার কার্ডে ইস্যু করতে কোন দিন সময় লাগবে আর কোন কোন ক্ষেত্রে তারও বেশি সময় লেগে যেতে পারে। যদিও আপাতত এই কার্ডের নির্মাণ মূল্য 30 টাকা ধার্য করা হয়েছে তবু নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে  আরও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে কিভাবে সেটিকে আরো সস্তা করা যেতে পারে।

Related Articles

Close