প্রয়োজন পড়লে গুলির জবাব দেওয়া হবে বোমা দিয়ে, তবে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়া হবে না- ভারত সরকার..

গোটা বিশ্ব জুড়ে যবে থেকে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ আঁকড়ে ধরেছে তবে থেকে গোটা বিশ্বের বিভিন্ন দেশগুলি চীনের উপর একপ্রকার ক্ষিপ্ত রয়েছে। এমনকি বিশ্বের কয়েকটি দেশ এমনও মতবাদ প্রকাশ করেছে যেখানে তারা জানিয়েছে চীন এই COVID-19 ভাইরাসটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে বিশ্বের অন্যান্য দেশে ছড়িয়েছে, আর এটি চীনের একটি জৈব অস্ত্র।কিছুদিন আগে এমনও কথা শোনা যাচ্ছিল যেখানে বলা হচ্ছিল যে চীন এই ভাইরাসটিকে ইচ্ছাকৃতভাবে তাদের ল্যাবরেটরীতে তৈরি করেছে যার দরুন আমেরিকার তরফ থেকে বারবার চীনের ল্যাবগুলি পরীক্ষা করার অনুমতি প্রদান করার কথা জানানো হচ্ছিল যদিও চীনের তরফ থেকে সেটি প্রদান করা হয়নি।

তবে এখন গত কয়েকদিন ধরে ভারতের সাথে চীনের সম্পর্ক বেশ ভালো যাচ্ছে না কারণ বেশ কয়েকদিন ধরে সীমান্তে লক্ষ্য করা যাচ্ছে চীনা সৈনিকদের দাদাগিরি। যার দরুন এই বিষয় নিয়ে প্রতিরক্ষামন্ত্রীও একাধিক বৈঠক সেরে ফেলেছেন।তবে এবার যে খবরটি বেরিয়ে আসছে সেখানে জানতে পারা যাচ্ছে চীনকে উচিত শিক্ষা দেওয়ার জন্য ভারত সরকার পুরোপুরি কূটনৈতিক ও সামরিক প্ল্যান বানিয়ে ফেলেছে। এক্ষেত্রে চীনের জিনপিং এর সরকার ভারতকে 1962 সালের ভারত ভেবে লাদাখ সীমান্তে নিজেদের দাদাগিরি দেখানোর চেষ্টা করছিল।

তবে এই নতুন ভারত যে আর সে ভারত নয় তা চীনের এই প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ করে আমাদের দেশের বাহাদুর সেনা জওয়ানেরা প্রমান করে দিয়েছে।আর এবার ভারত সরকারের তরফ থেকে ইঙ্গিত দিয়ে দেওয়া হয়েছে এক ইঞ্চিও জমিও ছাড়া হবে না ভারতের তরফ থেকে প্রয়োজন পড়লে গুলির জবাব দেওয়া হবে বোমা দিয়ে। গত কয়েকদিন আগে দেশের অর্থনীতি করোনার কারনে পিছিয়ে পড়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সকলদেশবাসীকে স্বনির্ভর করে তুলতে আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্পের ডাক দিয়েছেন।

এক সময় বাংলা সহ পুরো ভারতব্যাপী কে স্বদেশী ডাক জাগ্রত করেছিল আর এবার ও সেই স্বদেশী ডাক প্রধানমন্ত্রী মোদির সরকার আত্মনির্ভর ভারত নামে তুলে ধরলেন। আর এটি যদি ভারতীয় জনগণ পুরোপুরিভাবে পালন করে থাকে তাহলে এতে কোনো দেশের ক্ষতি হোক বা না হোক চীন দেশের অধিকাংশ অর্থনীতিতে এর ফলে ক্ষতি আসবে। কারণ ভারত হচ্ছে চীনের অন্যতম ব্যবসা করার জায়গা যেখানে চীনের তরফ থেকে একাধিক প্রোডাক্ট বিক্রি করে প্রচুর টাকা অর্জন করে।

আর এবার যদি ভারতীয়রা এই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ডাকে সাড়া দিয়ে আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্পের আহ্বান জানায় তাহলে চীনের ব্যবসা পুরোপুরি ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। তাছাড়া অন্যদিকে করোনা ভাইরাস ও হংকং ইস্যুতে চীন সরকার কোণঠাসা হয়ে রয়েছে। এই দিক গুলির তরফ থেকে মানুষের দৃষ্টি এড়ানোর জন্য চীন বারবার ভারতের সীমান্তে উপদ্রব শুরু করেছিল। পাপ্ত খবর অনুযায়ী জানতে পারা গেছে চীন লাদাখ সীমান্তে প্রায় 7 হাজার সেনা মোতায়েন করেছে, তবে চীনের এই উপদ্রব শুরু হতেই ভারত সরকারও ভারি মাত্রায় সেনা জওয়ান ও যুদ্ধ বিমান মোতায়েন করেছে সেই সীমান্তে।

আর এখন মোদী সরকারের তরফ থেকে এই কথা স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়ে দেওয়া হয়েছে যে ভারত এখন এক ইঞ্চি জমিও ছাড়বে না এবং লাদাখে যে নির্মাণকার্য শুরু হয়েছে তা কোন প্রকারে বন্ধ হবে না। অর্থাৎ ভারত এ কথা বুঝিয়ে দিয়েছে যে, এটা সেই 1962 সালে ভারত নয় যখন অস্ত্র-সরঞ্জাম উৎপাদনের কারখানা পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছিল চীনের দাদাগিরি জেরে। এটা সেই ভারত যে ভারত প্রয়োজন পড়লে 1967 সালের মতো চীনতে আবারও উচিত শিক্ষা দেবে।

Related Articles

Close