একশন- কাশ্মীরে সেনার 100 কোম্পানি রওনা, ধারা 35A কে বিলুপ্ত করার জন্য শুরু হলো কর্মকান্ড।

14 ই ফেব্রুয়ারি বিকেলে পাকিস্তান মদদপুষ্ট জইশ-ঈ- মহম্মদ জঙ্গিগোষ্ঠীর এক আত্মঘাতী হামলায় 40 জনেরও বেশি সিআরপিএফ জাওয়ানের মৃত্যু ঘটে। এই ঘটনার পর রাজনৈতিক মহল থেকে শুরু করে সবাই উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে। সবাই এখন পাকিস্তানের উপর বদলা নিতে চাই । এমনকি আন্তর্জাতিক ভাবে পাকিস্তানকে এক ঘরে করে দেওয়ারও চেষ্টা চালাচ্ছে ভারত। পুলওয়ামায় আত্মঘাতী জঙ্গি হামলার পর পাকিস্তানের উপর বদলা নেওয়ার জন্য ঝুঁকে পড়ে মোদি সরকার। শুধু মোদি সরকারই নয় সারা দেশবাসী চায় পাকিস্তান এর উপর বদলা নেওয়া হোক।আমাদের বীর জাওয়ান দের রক্ত যেমন কোন দিন ব্যর্থ না হয়।

পাকিস্তান কে জব্দ করার এই পদক্ষেপ হিসেবে মোদি সরকার কাশ্মীরে অনেক বড় ধরনের কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতি নিচ্ছে। সরকার জম্মু কাশ্মীর থেকে ধারা 35A কে শেষ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই আইন শেষ হওয়ার পরে অন্য রাজ্যের ভারতীয়রা খুব সহজেই জম্মু-কাশ্মীরে জায়গা কিনে বাড়ি করতে পারবেন। কাশ্মীর ঘাঁটির প্রধান সমস্যা হলো যে সেখানে হিন্দু পন্ডিত দের তাড়িয়ে সম্পূর্ণরূপে ইসলামীকরণ করা হয়েছে। এই কারণেই কাশ্মীরে এখন জিহাদ চলে যেটিকে আমরা অর্থাৎ ভারতীয়রা আতঙ্কবাদ বলে জেনে থাকি। কাশ্মীর ঘাঁটিতে যে সমস্যা আছে সেই সমস্যার জম্মু বা লাদাখ প্রান্তে নেই। তাই কাশ্মীর ঘাঁটির সমস্যার সমাধান করতে হলে 35A কে মুছে ফেলতে হবে। 25 শে ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ সোমবার এই ইস্যুতে শুনানি হবে বলে জানা যায়। এই শুনানি হওয়ার ঠিক আগে কেন্দ্রীয় সরকার প্যারামিলিটারির 100 কোম্পানিকে কাশ্মীরের বর্ডারের নিযুক্ত করে দিয়েছেন।

Advertisements

Advertisements

কেন্দ্রীয় সরকার হুরীয়ত ও বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতাদের গ্রেফতার করে কাশ্মীরের বাইরে নাগাল্যান্ড মনিপুর এর জেলে ঢুকিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে। এর সাথে মেহবুবা মুফতি, ফারুক আব্দুল্লাহ, ওমর আব্দুল্লাহর মতন নেতাদের সুরক্ষা বাতিল করে দেওয়ার জন্য সিদ্ধান্ত চলছে। এদের সুরক্ষা বাতিল করে দিলে, এরা এমনিতেই দিল্লিতে চলে আসবে।