পুরো বিশ্বের কাছে উদাহরণ তৈরি করলো মোদী-শাহের বন্ধুত্ব! একসাথে তৈরি করলেন ইতিহাস।

গতকালই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিন গেছে তিনি এবার ৬৯ বছরের হয়ে গেছেন। আজকে আমরা মোদীজির সবথেকে প্রিয় বন্ধু অমিত শাহ  এর বন্ধুত্বের সম্বন্ধে আলোচনা করব। মোদীজি এবং অমিত শাহর বয়সের মধ্যে অনেকটা পার্থক্য রয়েছে কিন্তু  তারা খুব ভালো বন্ধু তারা সর্বদাই একে অপরের ওপর বিশ্বাস রেখে চলেন। মোদিজীর কাছের মানুষেরা জানিয়েছে, মোদীজি এমনিতে তো কারো উপর সহজে বিশ্বাস করে না কিন্তু যখন বিশ্বাস করেন তখন পূর্ণভাবে তাকে বিশ্বাস করেন।

মোদীজি আজকে সব থেকে বেশি যাকে বিশ্বাস করে তিনি হলেন বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা অমিত শাহ।
অমিত শাহ এবং মোদিজীর বন্ধুত্ব কতটা পুরনো:
আপনারা ভাবেন হয়ত মোদীজি এবং অমিত শাহর বন্ধুত্ব ১০ থেকে ১৫   বছরের পুরনো কিন্তু এমনটা নয় তারা একে অপরকে ৩৫ বছর ধরে চেনেন। সাক্ষাৎ কখন হয়েছিল: এই কথাটি ৮০ এর দশকের। বছরের শুরুতে দুজনে র সাক্ষাৎ RSS এর জন্য হয়েছিল। মোদীজি RSS  এর প্রচারক ছিলেন এবং অমিত শাহ RSS এর যুব কার্যকর্তা ছিলেন।

১৯৮৪ তে তারা একে অপরের অনেকটা কাছে এসেছিল যখন মোদীকে আহমেদাবাদ জেলার প্রচারক বানানো হল  এবং অমিত শাহ বিজেপি দলের সদস্য হলেন। ১৯৮৬ তে নরেন্দ্র মোদিকে গুজরাটের বিজেপি সচিব এর পদ দেওয়ার পর অমিত শাহ এর পর অনেক বড় দায়িত্ব এল। মসলন – বুথ , ম্যানেজমেন্ট এবং রণনীতি বানানোর। ১৯৯৬ সালে যখন কেশুভাই প্যাটেল এর বিপক্ষে যাওয়ার জন্য তার ওপর খারাপ সময় এলো সেইসময়ে অমিত শাহ  তার সাথে ছিলেন।

২০০১ এ  মোদীজি গুজরাটের রাজনীতিতে নিজের দ্বিতীয় পদক্ষেপ শুরু করলো। মোদীকে CM এর পদ দেওয়া হলো।সেইসময় ৩৮ বছর বয়সী অমিত শাহ কে যুব নেতা হিসাবে ক্যাবিনেটের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব গুলি দেওয়া হল। ২০০৩ এ যখন পুনরায় গুজরাটে নরেন্দ্র মোদি সরকার প্রতিষ্ঠিত হল তখন অমিত শাহের রাজ্য মন্ত্রী মন্ডলে  নিযুক্ত করে নেওয়া হলো। এরপর খুব শীঘ্রই অমিত শাহ নরেন্দ্র মোদির অনেক কাছে চলে এলেন।২০১০ এ যখন সোহরাব উদ্দিন মামলাটি অমিত শাহের কাছে পৌঁছাল সেই সময় ও নরেন্দ্র মোদি তার সাথে ছিলেন। অমিত সাহা জেলে থাকাকালীন সময়ে মোদীজি তার পরিবারের দেখাশুনা করতেন।

২০১৪ তে নরেন্দ্র মোদিকে বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য নির্বাচন করা হল। ২০১৯ এর লোকসভা ভোটে জয়লাভ এর পর মোদীজি অমিত শাহ কে গৃহমন্ত্রী পদে নিযুক্ত করেন।

Related Articles

Close