ফের বাড়তে চলেছে মোবাইল রিচার্জের বিল, মোবাইলে রিচার্জ হতে চলেছে আরও ব্যয়বহুল..

2019 সালের শেষের দিকে সমস্ত টেলিকম সংস্থাগুলি তাদের শুল্ক একবার বাড়িয়েছে।আইডিয়া-ভোডাফোন, জিও, এয়ারটেলের প্রচুর লোকসানের কথা বহুবার উল্লেখ করেছে। আর এফলেই সমস্ত টেলিকম সংস্থাগুলি শুল্ক বাড়াতে বাধ্য হয়েছে বলে টেলিকম সংস্থাগুলির তরফ থেকে জানানো হয়েছে। এয়ারটেল, ভোডাফোন- আইডিয়া আগের থেকে 40 থেকে 50 শতাংশ শুল্ক বাড়িয়েছে।

অপরদিকে রিলায়েন্স জিও অনেকটা পরিমাণ শুল্ক বাড়িয়েছে। হঠাৎ এতটা পরিমাণ শুল্ক বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষদের পক্ষে সেই ধাক্কা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়নি। তবে আবারো খবর সূত্রে জানা গিয়েছে পুনরায় টেলিকম সংস্থাগুলি তাদের শুল্ক বাড়াতে পারে। ফলে মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য ফের একবার খারাপ খবর আসতে চলেছে। জানা গিয়েছে 25 থেকে 30 শতাংশ এর মতো শুল্ক বাড়তে পারে।

টেলিকম সংস্থাগুলি জানিয়েছে,ব্যাবহারকরীর সংখ্যা বাড়েনি এবং তাদের একটা সময়ে যে পরিমান ক্ষতি হয়েছে তা এখনো পর্যন্ত পূরন হয়নি। টেলিকম সংস্থাগুলি এআরপিইউ খুব একটা বাডেনি বলে জানানো হয়েছে। এবং অপরদিকে অন্যান্য দেশের তুলনায় এই দেশে টেলিকম পরিষেবায় গ্রাহকদের অনেকটাই কম। এর পাশাপাশি টেলিকম সংস্থাগুলি তাদের লোকসান হ্রাস করার চেষ্টা করছে। তার ওপর রয়েছে ভোডাফোন আইডিয়া আর এয়ারটেলের ওপর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ।

যেখানে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে এদের যে ধার রয়েছে তা মিটিয়ে দিতে হবে। এই বস্থাতে টেলিকম সংস্থাগুলি ফের শুল্ক বাড়ানো দিকে এগোতে পারে। কেন্দ্রীয় সরকারকে টাকা মেটানোর ক্ষেত্রে সবথেকে বেশি খারাপ অবস্থায় রয়েছে ভোডাফোন এবং আইডিয়া কারন তাদের ক্ষতির পরিমাণ সবথেকে বেশি। আবার খবর আসছে এই ব্যাবসা থেকে সরে যেতে পারে ভোডাফোন এবং আইডিয়া।ফলে এই দুটি টেলিকম সংস্থা বেরিয়ে গেলে জিও এবং এয়ারটেল লাভবান হবে।

প্রসঙ্গত গত ডিসেম্বর মাসে সমস্ত টেলিকম সংস্থাগুলি তাদের শুল্ক বাড়িয়েছে। এদের মধ্যে জিও এর শুল্ক বৃদ্ধির পরিমান তুলনামূলক ভাবে কম। এবং জিও যেদিন থেকে টেলিকম দুনিয়ায় পা রেখেছে সেদিন থেকে মোবাইল ইন্টারনেটর ব্যবহার প্রচুর পরিমাণে বেড়েছে।