একজন সফল অভিনেতা পাশাপাশি মিঠুন চক্রবর্তী একজন সফল ব্যবসায়ীও, পাঁচটি হোটেলের মালিক হিসাবে নিযুক্ত রয়েছেন তিনি

টলিউড তথা বলিউডের খুবই সুপরিচিত একটি নাম হলে মিঠুন চক্রবর্তী। অনেক দুর্গম পথ পেরিয়ে আজ তিনি সুপারস্টার। শুধুমাত্র সুপারস্টার বললে ভুল বলা হবে, তিনি একজন বড় মাপের মানুষ। বহু দুঃখ মানুষদের সেবা করেছিলেন তিনি। ডান্স বাংলা ডান্সের মহাগুরু সম্প্রতি যোগদান করেছিলেন বিজেপিতে। কিন্তু সেইভাবে রাজনীতিতে নিজের জায়গা সুপ্রতিষ্ঠিত করতে পারেনি মিঠুন চক্রবর্তী।

আজ কথা বলব মহাগুরুর সম্পত্তির পরিমাপের কথা। মহাগুরু সম্পত্তির পরিমাণ প্রায় ৪ কোটি ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় আড়াইশো কোটি টাকারও বেশি। প্রথমদিকে দারিদ্র্যের মধ্যে দিন কাটলেও পরবর্তী সময়ে মিঠুন চক্রবর্তী বিলাসবহুল জীবনযাপন করছেন। একাধারে বাংলা এবং হিন্দি সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি।

আজ বলিউডের ধনী অভিনেতাদের মধ্যে অনায়াসে উচ্চারণ করা যায় মিঠুন চক্রবর্তীর নাম। মিঠুন চক্রবর্তী শুধুমাত্র একজন অভিনেতা নয়, তিনি মনার্ক গ্রুপ অফ হোটেলের মালিক। উটি এবং মাসিনাগুঁড়িতে মোট পাঁচটি পাঁচতারা হোটেল রয়েছে তাঁর। এই ফাইভ স্টার হোটেল গুলি বাইরে থেকে যতখানি বিলাসবহুল, ততটাই নৈসর্গ দৃশ্য এই হোটেলের ভেতরের।

একাধিক সুযোগ-সুবিধাসহ জমকালো এই হোটেলগুলোতে রয়েছে ৫৯ টি প্রিমিয়াম রুম এবং চারটি বিলাসবহুল সুসজ্জিত স্যুট। একটি বিলাসবহুল সুইমিং পুল এবং একটি ইন্ডোর প্লে জোন রয়েছে হোটেল গুলিতে। এছাড়া হোটেলগুলোতে রয়েছে একটি মিডনাইট কাউবয় বার, এটি ডিস্কো সহ একটি multi-cuisine রেস্তোরাঁ। শুধুমাত্র তাই নয়, হোটেলের বাইরে বড় এলাকাজুড়ে তৈরি করা হয়েছে এটি হেলিপ্যাড।

হোটেল গুলিতে অভ্যন্তরীণ সাজসজ্জা এতটাই উন্নত মানের, যে সেটি হোটেল গুলির ঐতিহ্য আরো কিছু গুণ বাড়িয়ে দেয়। উল্লেখ্য, কোন একটি সিনেমার জন্য মিঠুন চক্রবর্তীকে যেতে হয়েছিল উটিতে। সেখানকার নৈসর্গ দৃশ্য দেখে এতটাই আসক্ত হয়ে পড়েছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী যে, তিনি পরবর্তীকালে সেখানে হোটেল তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেন। আজও সময় পেলেই তিনি এই হোটেল গুলোতে ছুটি কাটাতে যান।