বাংলার ভূমিপুত্রই বিজেপির নতুন মুখ, বিজেপি নেতার বড়োসড়ো ইঙ্গিত মিঠুন চক্রবর্তীকে নিয়ে

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোটের ঘন্টা বেজে গেছে। বাংলার সিংহাসনে বসা নিয়ে লড়াই চলছে তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে। হাল ছাড়তে রাজি নয় বাম কংগ্রেস জোট। প্রতিটা রাজনৈতিক দলই একে অপরের গায়ে ছোড়াছুড়ি করে ভোটে জেতার পরিকল্পনা করছেন। এবার ভোটের সবথেকে বড় চমক হল বিজেপি শিবিরে যোগদান প্রখ্যাত অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর। তবে শুধু যোগদান বা প্রচার নয়। এবার নাকি মিঠুনদা বিজেপির হয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোটের লড়াইয়ে নামছে। এমনই ইঙ্গিতের সুর মিলেছে কৈলাস বিজয়বর্গীয় গলায়।

 

বেশ কিছুদিন ধরেই ইঙ্গিত মিলছিল যে মিঠুন চক্রবর্তী নাকি এবার বিজেপির হয়ে ভোটে দাঁড়াচ্ছেন। এর আগে এমনই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন মিঠুন চক্রবর্তীও। এই জল্পনাতে ঘি ঢেলে দিয়েছেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়। বিজয়বর্গীয় বলেছেন যে দল যদি চায় ভোটে দাঁড়ানোর ব্যাপারে মিঠুন চক্রবর্তীকে রাজি করাতে পারে। বিজেপি শিবিরে যোগ দেওয়ার পর থেকেই মিঠুন চক্রবর্তীকে বিজেপি শিবির থেকে প্রদান করা হয়েছে Y+ ক‍্যাটেগরির নিরাপত্তা। এইসব দেখে ধারণা করা হচ্ছে যে আসন্ন বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের বিপরীতে লড়াই করতে আসছেন এমেলে ফাটাকেষ্ট?

মোদীর ব্রিগেড জনসভাতে বিজেপি শিবিরে নাম লেখাতে গিয়ে মিঠুন চক্রবর্তী বলেছেন, “১৮ বছর বয়সে একটা স্বপ্ন দেখেছিলাম। গরিবদের জন্য কিছু করার স্বপ্ন দেখেছিলাম। আজ যেন সেই স্বপ্নটা আবার দেখতে পাচ্ছি। কেউ অধিকার ছিনিয়ে নিতে পারবেন না। আমার মতে, বাংলায় যাঁরা থাকেন, তাঁরা সবাই বাংলার মানুষ। মারব এখানে, লাশ পড়বে শ্মশানে চলবে। আমি জলঢোড়াও নই, বেলেবোরাও নই, আমি জাত গোখরো, এক ছোবলে ছবি। এবার এটাই হবে।”

একসময় তৃণমূল শিবিরে যোগদান করে মিঠুন চক্রবর্তী হয়েছিলেন রাজ্যসভার সদস্য। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে নিজের বোন বলে সম্বোধন করেন। বলেছিলেন তিনি যতদিন বাঁচবেন তৃণমূলের সাথেই থাকবেন। কিন্তু এখন তিনি যোগদান করেছেন পদ্ম শিবিরে। তবে ব্রিগেড জনসভায় তৃণমূলের সম্পর্কে তেমন কিছু কটূক্তি তিনি করেননি। শুধু বলেছিলেন তৃণমূলে যোগ দেওয়া সিদ্ধান্তটা তাঁর ভুল ছিল।