Maruti Suzuki ও Toyota যৌথ উদ্যোগে‌ ভারতের বাজার মাতাতে আসতে চলেছে সেল্ফ চার্জিং হাইব্রিড ইলেকট্রিক গাড়ি

ব্যক্তিগত গাড়ি এখন শুধু সখের বিষয় নয়, এর প্রয়োজনীয়তা ও কম নয়। ব্যক্তিগত গাড়ি আবার অনেকের রোজগারের উপায় ও বটে। এখন বৈদ্যুতিক গাড়ি চার্জ দেওয়ার জন্য আর ঘন্টার পর ঘন্টা চার্জিং পয়েন্টে অপেক্ষা করতে হবে না। ব্যাটারি চালিত গাড়ি এবার রাস্তায় চলতে চলতে আপনা-আপনিই চার্জ হয়ে যাবে। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুসারে, টয়োটার (Toyota)সাথে যৌথভাবে এমনই হাইব্রিড ইলেকট্রিক গাড়ির ওপর কাজ শুরু করেছে মারুটি সুজুকি(Maruti Suzuki)।জ্বালানিসাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব হিসেবে সারা পৃথিবীতেই হাইব্রিড গাড়ি জনপ্রিয়। ভারতে বৈদ্যুতিক গাড়ি চার্জ দেওয়ার পরিকাঠামো এখনো সেভাবে গড়ে ওঠেনি। চার্জিং স্টেশনের অপ্রতুলতার কারণে অনেকেই ভাবেন, গন্তব্যে পৌঁছানোর আগেই যদি চার্জ শেষ হয়ে যায়! আবার চার্জিং স্টেশনে গাড়ি পুরো চার্জ করানো সময় সাপেক্ষ। তাছাড়া ব্যাটারি চালিত গাড়ির দাম পেট্রোল-ডিজেলের গাড়ির চেয়ে অনেকটাই বেশি। তাই এক লাফে সরাসরি বৈদ্যুতিক গাড়ি না এনে হাইব্রিড গাড়ির ওপর নজর মারুটি সুজুকি- এর।

হাইব্রিড ইলেকট্রিক গাড়ির সুবিধা সম্পর্কে জেনে নিন :–

হাইব্রিড গাড়ি জ্বালানি সাশ্রয়ী হওয়ায় পথ চলতে কোন তেলের খরচ হয় না। হাইব্রিড গাড়ি কে দৌড়ানোর শক্তি জোগানোর জন্য থাকে একটি ইন্টারনাল কম্বাশন ইঞ্জিন। যা ইলেকট্রিক মোটর এর সঙ্গে হাত মিলিয়ে কাজ করে। সেল্ফ চার্জিং হাইব্রিড গাড়ির ব্যাটারি সরাসরি ওই ইঞ্জিনের মাধ্যমে চার্জ হয়ে থাকে। গাড়ি থেকে কার্বন-ডাই-অক্সাইড ও কম নির্গত হয় এই হাইব্রিড গাড়িতে। ফলে পরিবেশ দূষণের হার কমে। আবার এই হাইব্রিড গাড়ি প্রথাগত পেট্রোল-ডিজেলের গাড়ির চেয়ে বেশি মাইলেজ ও দেয়।

মারুতি সুজুকির এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রাহুল ভারতী বলেছেন,’ কয়েকটি বৈদ্যুতিক গাড়ির জয়েন্ট টেস্টিং প্রোগ্রাম রয়েছে, প্রোটোটাইপ গুলি টয়োটার সঙ্গে আমরা সামনের মাস থেকে পরীক্ষা করা শুরু করবো। যতক্ষণ না পর্যন্ত ভারতের চার্জিং পরিকাঠামোর বিকাশ হবে, ততদিন পর্যন্ত গ্রাহকদের সেল্ফ চার্জিং গাড়ির প্রয়োজন হবে, তাই আমরা হাইব্রিড ইলেকট্রিক গাড়ি নিয়ে কাজ করছি’।

ভারতী আরো বলেছেন,” হাইব্রিড আগামী ১০-১৫ বছরের জন্য একটি শক্তিশালী প্রযুক্তি এবং গাড়ির বাজারে সফল হওয়ার যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে”। এই সেল্ফ চার্জিং হাইব্রিড গাড়ি ক্রেতারগাড়ি সংক্রান্ত খরচ কে কমিয়ে দেয়। এর ফলে পরিবেশ বান্ধব এবং জ্বালানি সাশ্রয়ী হিসেবে এই হাইব্রিড গাড়ির জুড়ি মেলা ভার।