রাজ্যে অবাক করে দেওয়ার মত ঘটনা, কারও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকছে হাজার টাকা আবার কারও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে লক্ষাধিক টাকা

এই লকডাউন এর মধ্যে অবাক করে দেওয়ার মতো ঘটনা কারো সেভিং ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে টাকা আবার কারো কারেন্ট ব্যাংক অ্যাকাউন্টে, এক্ষেত্রে কেউ কেউ পাচ্ছে হাজার টাকা আবার কেউ কেউ পাচ্ছে লক্ষ টাকা। গত মাসখানেক ধরে এরকমই এক ঘটনা ঘটছে, বিভিন্ন গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে টাকা তবে ঘটনাটি কেউ কাউকে জানায় নি।অনেকেই চুপিসারে এই টাকাগুলি ব্যবহার করতেও লাগিয়ে দিয়েছেন। তবে সম্প্রতি বিষয়টি এবার প্রকাশ্যে এসেছে এবং প্রকাশ্যে আসার পর এই ঘটনাটি নিয়ে হৈ চৈ বেঁধে যায়।

এই ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহার 1 নম্বর ব্লকের পুটিমারি ফুলেশ্বরী এলাকার শালবাড়ি গ্রামে। এই বিষয়ে উত্তরের এক সংবাদমাধ্যমের তরফ থেকে জানতে পারা গেছে এইভাবে মাসের-পর-মাস  টাকা ঢুকলেও এই বিষয় নিয়ে কেউ মন্তব্য করতে চাইনি যাতে কেউ টাকা না নিয়ে নেয়। তবে এই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসাতে অনেকজন ভয় পেয়ে গিয়েছে, আর এই বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছে সেখানকার স্থানীয় পঞ্চায়েত ও। অন্যদিকে এই বিষয় নিয়ে সংবাদমাধ্যমে তরফ থেকে যখন কোচবিহার -1 এর বিডিও এর সাথে কথাবার্তা বলা হয় তখন তিনি বলেন এখনও পর্যন্ত আমার কাছে এই বিষয়ে কোনো তথ্য নেই।তবে জিরো ব্যালান্স অ্যাকাউন্ট এত টাকা ঢোকা সম্ভব নয় আমি যত দ্রুত সম্ভব এই বিষয়টিকে খোঁজখবর নিয়ে উপরমহলের কর্তৃপক্ষদের জানাবো। অন্যদিকে এই বিষয়ে উত্তরের সংবাদমাধ্যমের দাবি গত কয়েক মাস আগে বেশ কয়েকজন ব্যাংকে কর্মী আসেন সেই এলাকায় এবং সেখানে প্রায় কয়েকশো ব্যক্তির অ্যাকাউন্ট খুলে দিয়ে যান তারা। আর এখন প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছে সেই সব জিরো ব্যালেন্সের অ্যাকাউন্টগুলিতেও ঢুকছে টাকা। তবে এখনো সংবাদমাধ্যমের সামনে কেউ এই বিষয় নিয়ে মুখ খুলতে চাইছে না। সেখানকার এক গ্রাহক সেবা কেন্দ্রের তরফ থেকে প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী জানতে পারা গেছে এলাকায় এক ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে মার্চ মাস থেকে দফায় দফায় ঢুকেছে টাকা এক্ষেত্রে টাকার পরিমাণ রয়েছে যথাক্রমে, 80 হাজার 153 টাকা, 82 হাজার 116 টাকা ও 2,500 টাকা। আর এই পরিমাণ টাকা ইতিমধ্যে তুলে নিয়েছেন ওই ব্যক্তি এমনটাই জানাচ্ছে সংবাদমাধ্যম।শুধু এই ব্যক্তি নয় আরো অনেক ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে এরকম পরিমাণে টাকা ঢুকেছে বলে জানাচ্ছে সংবাদমাধ্যম।সেখান কার স্থানীয় পঞ্চায়েতের এক কর্মী সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানান এলাকায় বেশ কয়েক জনের অ্যাকাউন্টে এইভাবে দেদার টাকা ঢুকেছে। তবে এখনো খবর পাওয়া যায়নি কীভাবে এল এই টাকা অথবা কোথা থেকে এল এই টাকা, খবরটি প্রকাশ্যে আসার পর সেখানকার পঞ্চায়েতের তরফ থেকে এই বিষয়টিকে প্রশাসনে জানানো হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

Related Articles

Back to top button