নবান্নে অনুষ্ঠিত হবে আজ সর্বদলীয় বৈঠকের আলোচ্য বিষয় থাকতে চলেছে খাদ্য ও স্বাস্থ্যসুরক্ষা

রাজ্যে যাতে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে না পড়ে তার উদ্দেশ্যে আংশিক লকডাউন এর ঘোষণা করে দিয়েছে রাজ্য সরকার ইতিমধ্যে। আর এই আংশিক লকডাউন আজ বিকেল 4 টা থেকে আগামী 27 শে মার্চ রাত্রি বারোটা পর্যন্ত চলবে। আর তারই সাথে মানুষের জীবন রক্ষার্থে বিশেষ সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দরুন কোনো বিরোধিতা করছে না কোনো রাজনৈতিক দলই।তবে আজ যেটি নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠকে কথাবার্তা হতে চলেছে সেটি বিপন্ন সাধারণ মানুষ ও অসংগঠিত শ্রমিকদের স্বার্থে।

এই বিষয়টিকে তারা আজকের সর্বদলীয় বৈঠকে তুলতে চাইছেন। শুধু তাই নয় রাজ্য সরকারের সঙ্গে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন ও প্রশ্ন তুলছে করোনা পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন ভূমিকা নিয়ে।যার দরুন আজ বিকেল বেলায় সর্বদলীয় বৈঠকের একটি আয়োজন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে আলোচনা করা হবে করোনা ভিত্তিক বিভিন্ন প্রশ্নকে নিয়ে।

আগামী দিনে কিভাবে এই পরিস্থিতির মোকাবেলা করা যাবে আর কি কি ব্যবস্থা নেওয়া হতে চলেছে আরও সরকারের তরফ থেকে সেসব নিয়ে থাকবে আজকের এই বৈঠকের আলোচ্য বিষয়।আজ বিকেল পাঁচটার পর থেকে কলকাতা সহ আরো কয়েকটি জেলায় বিভিন্ন পৌরসভা এলাকায় লকডাউন ব্যবস্থা চালু করা হবে। বর্তমান যা পরিস্থিতি তার জেরে লোকজনের স্বার্থে সরকারকে যে পদক্ষেপ নিতে হচ্ছে তা নিয়ে কোন দ্বিমত নেই বিরোধীপক্ষ বাম,কংগ্রেস ও বিজেপি নেতৃত্বের।

তবে এ নিয়ে কংগ্রেস ও বামের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে এর ফলে কোন অংশে মানুষ যে কাজ করতে পারবে না এবং উপার্জনহীন হয়ে পড়বে তাহলে তাদের ক্ষেত্রে কী কোনো আর্থিক প্যাকেজে দায়িত্ব নিতে চলেছে সরকার। তাদের বক্তব্য এই বিষয় নিয়ে কেন্দ্রের ভূমিকা কী? তবে এখনো পর্যন্ত ট্রেন বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা ছাড়া কেন্দ্রের তরফ থেকে এই বিষয় নিয়ে কোনো নির্দিষ্ট পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।তবে আজকের এই সর্বদলীয় বৈঠকে বিরোধীরা তাদের বক্তব্য জানাবেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও এইদিন বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন এবং সকলের বক্তব্য শুনে তিনি উপযুক্ত ব্যবস্থা নেবেন এই বিষয় নিয়ে।

অন্যদিকে গরিব মানুষ ও অসংগঠিত শ্রমিকদের জন্য স্বাস্থ্যপরিসেবা এবং আর্থিক সহায়তা নিয়ে কেন্দ্রের কাছে দাবি পেশ করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। আরওয়াইএফএর রাজ্য সম্পাদক রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি পাঠিয়ে পরিস্থিতিতে কর্মী সংকোচন যাতে কোথাও না হয় তা নিশ্চিত করে ছোট এবং মাঝারি সংস্থাগুলিকে সহায়তা দেওয়ার কথা জানিয়েছে কেন্দ্রকে।

Related Articles

Close