আবারো বিস্ফোরক মুখ্যমন্ত্রী মমতা, “সিন্ডিকেট ও তোলাবাজি” ইস্যুতে কড়া ভাষায় প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ

কয়েক দিনের মধ্যেই শুরু হতে চলেছে বঙ্গে বিধানসভার প্রথম দফার ভোট। ভোটে জেতার জন্য প্রতিটি রাজনৈতিক দলের মধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে প্রস্তুতিপর্ব। রবিবার অর্থাৎ ৭ মার্চ ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ব্রিগেড সমাবেশ। আবার অন্যদিকে রান্নার গ্যাস পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির জন্য উত্তরবঙ্গে পথ সভা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রকে বিভিন্ন কথার আক্রমণ করেন। বলেন “দেশে একটাই সিন্ডিকেট চলে, মোদী-শাহ সিন্ডিকেট। দেশের সবচেয়ে বড় তোলাবাজ মোদী।”

এদিন শিলিগুড়ির (Siliguri) সভা থেকে এভাবেই চাঁছাছোলা ভাষায় চড়াসুরে আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় (Mamata Banerjee)।তারই সাথে স্লোগান তোলেন খেলা হবে। নরেন্দ্র মোদী তাঁর ব্রিগেড সভায় মমতা ব্যানার্জির এই কথার পাল্টা উত্তর দেন। শিলিগুড়ির (Siliguri) হাসমিচকের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্লোগান তুলেছেন ‘খেলা হবে’ এই সভা থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সরাসরি ভোট লড়াইয়ে নামার বার্তা দিয়েছেন।

বলেছেন প্রধানমন্ত্রী মহাশয় আপনি আমার সরাসরি সম্মুখে আসুন। প্রধানমন্ত্রীকেই মমতা ব্যানার্জি্র সম্মুখে আসার জন্য দিনক্ষণ ঠিক করতে বলেছেন। এর সাথে এও বলেছেন যে প্রধানমন্ত্রীকে নাকি হেরে বাড়িতে ফিরতে হবে। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্র সরকারকে তোলাবাজির তকমা দেন। বলেছেন অনেক সহ্য করেছি আর সহ্য করতে পারবো না।

শিলিগুড়ির জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি গ্যাসের সিলিন্ডার, পেট্রোপণ্যের দাম সহ বিভিন্ন কারণে কেন্দ্রীয় সরকারকে দোষ দিতে গিয়ে মিথ্যাবাদী বলে কটাক্ষ পর্যন্ত করেছেন। তারপর খেলা হবে বলে স্লোগান তোলেন। উচ্চস্বরে চিৎকার করে বলেন “খেলা হবেই। ক্ষমতা থাকলে আপনি আমার মুখোমুখি আসুন মোদিজি। আপনিই ঠিক করুন দিন আর সময়। ওয়ান টু ওয়ান খেলা হবে। আপনাকে হেরে বাড়ি ফিরতে হবে।”

মমতা ব্যানার্জির এই কথার পাল্টা জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর তাঁর ব্রিগেড সমাবেশ থেকে। নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, “আজকাল তৃণমূল বলছে খেলা হবে। দিদি ও তাঁর সঙ্গীরা অভিজ্ঞ খেলোয়াড়। সবরকম খেলাই ওঁরা খেলেছে। কোন খেলা বাকি রেখেছেন? দুর্নীতির এমন খেলা খেলেছেন যে একটা অলিম্পিক হয়ে যাবে। আর কত খেলবেন? খেলা শেষ হয়ে গিয়েছে। তৃণমূলের খেলা শেষ, উন্নয়ন শুরু। খেল খতম, বিকাশ শুরু। দিদি কখনও দানব বলেন, কখনও দৈত্য, কখনও আবার গুণ্ডা বলেন।” ব্যঙ্গ করে বলেন মোদীজি, “এত রাগ কেন দিদি?”