চার ঘন্টার মধ্যে জুনিয়র ডাক্তারদের কাজে যোগদান করার হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের, তা না হলে পরিণতি হবে খুবই ভয়ঙ্কর!

ভিতরে মুখ্যমন্ত্রী। বাইরে জুনিয়র ডাক্তারদের বিক্ষোভ। এসএসকেএম চত্বর জুড়ে তুমুল উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। এনআরএস-এ এবং আগেও বহুবার রোগীর পরিবারের আত্মীয়ের হাতে চিকিত্সক নিগ্রহের ঘটনায় সুবিচারের দাবিতে সরব রয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা। মুখ্যমন্ত্রীকে ঘিরে ধরে স্লোগান দিতে শুরু করেন তাঁরা। এসএসকেএম হাসপাতালে ঢুকে তিনি বিক্ষোভরত জুনিয়র ডাক্তারদের দ্রুত পরিষেবা দিতে নির্দেশ দেন৷ তাঁর পরিষ্কার বার্তা চার ঘণ্টার মধ্যে জুনিয়র ডাক্তারদের কাজে যোগ দিতে হবে৷

যারা তা করবেন না, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে৷ তিনি বৃহস্পতিবার দিন বিকেল সাড়ে চারটার মধ্যে হাসপাতালের পরিষেবা কে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে হবে বলে দাবি করেন। তবে এখানেই শেষ নয় মুখ্যমন্ত্রী বলেন গত চার দিন ধরে রোগী পড়ে রয়েছে আর কয়েক জন বহিরাগত তাণ্ডব চালাচ্ছে বাইরে।এর আগে আমার মন্ত্রীরা এসেছে পুলিশ কমিশনার ও এসেছে কিন্তু তাদের আসাতেও কোন সুফল মেলেনি।

তিনি বলেন যারা নাটক করছে তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এদিন তিনি বলেন কিছু রাজনৈতিক দলের উস্কানি পেয়ে কিছু বহিরাগতরা বাইরে থেকে এসে এখানে অশান্তি সৃষ্টি করছে,আর যারা এই আন্দোলনের সৃষ্টি করছে তারা কেউ জুনিয়র ডাক্তার নয় তারা হলো বহিরাগত।শুধু হিন্দু-মুসলাম করা হচ্ছে।”  হাসপাতালে রাজনীতি বরদাস্ত করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। হাসপাতালে এদিন স্পষ্ট জানিয়ে দেন যারা কাজ করবে না তারা হোস্টেল ছেড়ে দিন।

Advertisements

আর যারা কাজ করবে না তাদের সরকারের তরফ থেকে কোনো সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে না আগামী দিনে। এই দিন মুখ্যমন্ত্রী হাসপাতালে পৌঁছে রোগীর আত্মীয়দের সঙ্গে কথাবার্তা বলেন।উল্লেখ্য এখনও সরকারি হাসপাতালগুলিতে বন্ধ জরুরি পরিষেবা৷ এদিন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী৷ কড়া বার্তা দেন জুনিয়র ডাক্তারদের৷ কোনও বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন মমতা৷ তিনি পরিষ্কার জানিয়ে দেন, “পুলিশের নজরে আসতেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে৷ কী ভেবেছে কয়েকজন? কিছু লোক নাটক করছে৷
ডাক্তারদের কোনও ধর্ম হয় না৷ বেসরকারি হাসপাতাল গুলিকে অনুরোধ সহযোগিতা করুন৷ লক্ষ লক্ষ মানুষ দূর দুরান্ত থেকে আসছে৷ তাদের পরিষেবা দিতে হবে৷”

Advertisements