ইন্ডিয়ান অয়েল এর বড় ঘোষণা,এবার রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার বুকিং-এ আনা হল বড়োসড়ো পরিবর্তন

করোনা ভাইরাসের কারণে গোটা দেশজুড়ে 21 দিনের লকডাউন ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকার। আর তাতে বেশ কিছু পরিষেবা ছাড়াই সমস্ত কিছু বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু লকডাউন-কে ঘিরে নানা জায়গা থেকে নানান গুজব ছড়াচ্ছে আর তাতে আতঙ্কিত হয়ে যাচ্ছেন অনেক সাধারণ মানুষ। যেমন নিত্যপ্রয়োজনীয় রান্নার গ্যাস নিয়ে গুজব ছড়াচ্ছে। লকডাউন থাকার কারণে সমস্ত যানবাহন বন্ধ তাই পেট্রোল ডিজেলের চাহিদা আগের তুলনায় অনেকখানি কমে গেছে।

কিন্তু রান্নার গ্যাস যেহেতু এখন অতি প্রয়োজনীয় জিনিস তাই এই সময় চাহিদা বেড়ে গেছে রান্নার গ্যাসের। আর রান্নার গ্যাসের চাহিদা বাড়ার কারণ হচ্ছে মানুষের প্যানিক, এমনটাই দাবি করেছে ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন। আর এর ফলে গ্যাস সরবরাহকারীদের বিপুল পরিমাণে চাপ বাড়ছে দিনে দিনে। এই চাপ কমানোর জন্যই গ্যাস বুকিংয়ের ক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে।

ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন তরফ থেকে আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল যে দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণে রান্নার গ্যাস মজুদ রয়েছে তাই সাধারণ মানুষের প্যানিক হওয়ার কোনো কারণ নেই। এই লকডাউন মাত্র 21 দিন থাকবে। ঈদের যে পরিমাণ রান্নার গ্যাস ভারতে মজুদ রয়েছে তাতে চিন্তার কোন কারণ নেই। ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন-এর তরফ থেকে এমনটা জানানোর পরেও রান্নার গ্যাস বুকিং এর পরিমাণ কমেনি। তাই বাধ্য হয়ে গ্যাস বুকিংয়ের ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।

এবার থেকে একজন গ্রাহক 15 দিনের ব্যবধান ছাড়া গ্যাস বুকিং করতে পারবেন না। অর্থাৎ একজন গ্রাহক একবার রান্নার গ্যাস বুক করার পর তার 15 দিন পরে আবার তিনি বুক করতে পারবেন।গত দুদিন আগেই ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন এর ম্যানেজার সঞ্জীব সিং জানিয়েছেন,” গ্রাহকরা যদি এইভাবে গ্যাস বুক করতে থাকে তাহলে পুরো ব্যবস্থার ওপর চাপ সৃষ্টি হবে। বুকিং করার সাথে সাথে গ্যাস সিলিন্ডার ভর্তি করার জন্য কারখানা কে জানানো হয়। এরপর এই কারখানা থেকে গ্যাস সিলিন্ডারের সরবরাহ কাজ শুরু হয়। এবং এরপর ডেলিভারি বয় এসে আপনাদের বাড়িতে গ্যাস দিয়ে যায়।”