আগামী 11 ই এপ্রিল নেওয়া হবে লকডাউন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, এইদিন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে আবারো বৈঠকে বসতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী…

করোনা সংক্রমণ রূখতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ডাকা 21 দিনের লকডাউন 14 ই এপ্রিল শেষ হতে চলেছে। তাই এখন থেকেই প্রশ্ন উঠছে যে, আবারো দেশে কী লকডাউন বাড়ানো হবে। তাই এ নিয়ে 11ই এপ্রিল অর্থাৎ শনিবার সমস্ত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠকে বসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ দিনের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে লকডাউন বাড়বে কিনা। আজকে বিরোধী দলের নেতাদের সঙ্গে সর্বদল বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি।

এই বৈঠকে সংসদীয় প্রতিনিধিদের বক্তব্য শোনার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন,” এই সময় লকডাউন তুলে নেওয়া খুব একটা সহজ ব্যাপার নয়। বরং এখন সোশ্যাল ডিস্ট্যান্স বজায় রাখায় করোনা ভাইরাস সংক্রমণ থেকে বাঁচার একমাত্র উপায়। তাই আগামী 11ই এপ্রিল সমস্ত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক করার পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে যে লকডাউন আরো বাড়ানো যাবে কীনা। কারণ করোনা সংক্রমণের আগে ও পরে দেশের পরিস্থিতি একই থাকবে না।

এই ভাইরাসের প্রভাবে দেশের মানুষের সামাজিক ও অর্থনৈতিক এমনকি ব্যক্তিগত জীবনেও প্রভাব ফেলবে। এমন অবস্থায় সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো মানুষের প্রাণ বাঁচানো। আর মানুষের প্রাণ বাঁচানোর জন্য বিশেষ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে। এরপরেও আমাদেরকে সব সময় সজাগ থাকতে হবে।” প্রসঙ্গত, 24 শে মার্চ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশবাসীর উদ্দেশ্যে ভাষণ দেওয়ার সময় লকডাউন এর সময়সীমা যে পরবর্তীকালে বৃদ্ধি হতে পারে তারও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,” করোনার সংক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য বর্তমানে গোটা বিশ্বে লকডাউন চলছে। এছাড়াও বেশ কয়েকটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর আলাদা আলাদা ভাবে প্রধানমন্ত্রীকে লকডাউন বাড়ানোর জন্য আর্জি জানিয়েছেন।” সরকারের একাংশের ধারণা, 30 এপ্রিল পর্যন্ত বাড়তে পারে লকডাউন। তবে লকডাউন আদৌ বাড়বে কিনা তা আমরা জানতে পারবো 11 এপ্রিল বৈঠকের পর। সেখানেই ঠিক করা হবে লকডাউন এর ভবিষ্যৎ। এদিন সর্বদল বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দেশের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন। এই পরিস্থিতিতে দেশের কর্মসংস্থান বৃদ্ধির প্রসঙ্গও তুলে ধরেন তিনি।

Related Articles

Close