কলকাতানতুন খবরবিশেষরাজ্য

ব্রেকিং খবর- বাড়ানো হল লকডাউনের সময়সীমা, আগামী ছয় মাসের জন্য বিনামূল্যে রেশন পরিষেবা…

এর আগে মহামারী করোনা মোকাবেলাতে রাজ্যে লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে।যার দরুন আগামী 27 শে মার্চ পর্যন্ত লকডাউন থাকবে এমনটাই বলা হয়েছিল তবে এবার সেই সিদ্ধান্ত করা হলো কিছু ফেরবদল এবার 27 শে মার্চ নয় বরং 31 শে মার্চ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে লকডাউন। এরই পাশাপাশি করোনা মোকাবেলায় বিশেষ প্রকল্পের ঘোষণা করল রাজ্য সরকার।

আজ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান প্রতি সপ্তাহে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা রাজ্যে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আর এই কারণেই এবার যে লকডাউনের যে সময়সীমা নির্ধারিত করা হয়েছিল তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গোটা রাজ্য জুড়ে আগামী 31 তারিখ পর্যন্ত লকডাউন থাকবে। আজ বিকেল পাঁচটা থেকে এই নির্দেশ কার্যকর করা হবে বলে জানান তিনি। তবে শুধু লকডাউন এর বিষয় নয় এর পাশাপাশি তিনি নতুন প্রকল্প ঘোষণা করেন, এই দিন তিনি বলেন দিন মজুরদের কথা মাথায় রেখে এবার কয়েকটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে।

যেসব মানুষেরা দিন আনে দিন খায় সে সব মানুষেরা এই লকডাউন এর ফলে বাড়ি থেকে বেরোতে পারছে না তাই ওদের জন্য এই প্রকল্প নিয়ে আসা হয়েছে এর মাধ্যমে প্রত্যেক দিন মজুর পরিবারকে মাসে 1000 টাকা করে দেওয়া হবে, এরই সাথে আগামী ছয় মাসের জন্য বিনামূল্যে মিলবে রেশন পরিষেবা। এর সাথে সাধারণ মানুষদের মিলবে 5 কেজি করে চাল ডাল এর ব্যবস্থা।তবে এখানে শেষ নয় এর পাশাপাশি তিনি ত্রাণ তহবিল খোলার ঘোষণা করেছেন করোনা আক্রান্তদের জন্য।তবে আরও একবার মনে করিয়ে দিই জরুরী পরিষেবা ছাড়া সমস্ত রকম পরিষেবা যেমন স্কুল-কলেজ, পরিবহন ব্যবস্থা, সিনেমা হল, শপিংমল ইত্যাদি বন্ধ থাকবে এই লকডাউন এর জেরে।

তবে যেমনটা দেখতে পাওয়া যাচ্ছে তা সাক-সবজি বাজার কিংবা ওষুধ দোকানে লম্বা লাইন দিচ্ছেন সাধারণ মানুষেরা তাই মুখ্যমন্ত্রী অনুরোধ করে জানিয়েছেন খুব প্রয়োজন না হলে বাজারে না যায় যেন ভীড় না বাড়ায় এবং পরস্পরের সাথে দূরত্ব বজায় রাখার। পাশাপাশি মাস্ক পড়ারও অনুরোধ করেন তিনি। আর সব শেষে তিনি সাংবাদিকদের সাথে বৈঠক শেষ করে,শহরের বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বেরিয়ে পড়েন পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মার সঙ্গে। তারপর পৌঁছে যান জি কর হাসপাতালে সেখানে প্রিন্সিপাল ও সুপারের সঙ্গে কথা বলে তাদের হাতে তুলে দেন মাস্ক ও স্যানিটাইজার।

Related Articles

Back to top button