দেশনতুন খবরবিশেষভারতীয় সেনা

ব্রেকিং নিউজ:- যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায়, কাশ্মীর সীমান্তের গ্রামগুলিকে ফাঁকা করার নির্দেশ ভারতীয় সেনাবাহিনীর..

পুলওয়ামা ঘটে যাওয়া জঙ্গি হামলায় পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সেনাবাহিনীকে বদলা নেওয়ার জন্য পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছেন।এই নিয়ে দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধের পরিস্থিতি পর্যন্ত সৃষ্টি হয়েছে দুই দেশেই একে অপরকে হুঁশিয়ারি দিয়ে চলেছে। তবে কোন মাধ্যমে দিয়ে বদলা নেওয়া হবে তা এখনো জনসাধারণের কাছে প্রশ্ন হয়ে রয়েছে। তবে সীমান্তে এক প্রকার অস্থিরতা তৈরি হয়েছে তা বেশ পরিস্কার জানা যাচ্ছে। সূত্র অনুসারে খবর পাওয়া গেছে সীমান্ত কাছে থাকা 27 টি গ্রামে জারি করে দেওয়া হয়েছে গোপন নির্দেশিকা।আপনাদের বলে রাখি যে কোন মুহূর্তে গ্রাম খালি করে দিতে হতে পারে এমনটাই বলা হয়েছে তাদের এবং একটি নোটিশ জারি করা হয়েছে এই নিয়ে।

গত বুধবার ও বৃহস্পতিবার সীমান্তে পাক শেলিং হয়েছে। আর এই পাক শেলিং এর উপযুক্ত জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী তারপরই জারি করা হয়েছে এই নির্দেশ। গ্রামবাসীদের বলা হয়েছে তারা তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় কিছু জিনিসপত্র নিয়ে স্কুল বা কোন সরকারি ভবনে তারা যেন আশ্রয় নেয়।তবে গত দুদিন শিলিং এর হতাহতের কোনো প্রকার খবর পাওয়া যায়নি।ভারতের তেমন কোন ক্ষতি হয়নি বলেও জানতে পারা গেছে। আপনাদের বলে রাখি সীমান্তের কাছে মোটামুটি সাড়ে আটশো লোকজন বসবাস করেন।এবং গত কয়েক বছরের মধ্যে একাধিকবার ঘর ছেড়ে অন্য জায়গায় আশ্রয় নিতে হয়েছে তাদের। রাজৌরি ডেপুটি কমিশনার মোহাম্মদ আয়াজ আসাদ জানিয়ে দিয়েছেন গ্রামবাসীদের অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

আর অন্যদিকে পাকিস্তান ও তাদের সীমান্তবর্তী এলাকা গুলি থেকে স্থানীয় মানুষদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়ে দিয়েছে।

আর সেখানে বাংকার বানানোর নির্দেশ ইতিমধ্যেই জারি করে দিয়েছে পাক সেনা তরফ থেকে। শুধু এখানেই শেষ নয় পাক সেনাবাহিনী তাদের হাসপাতালগুলিতে তৈরি রাখার জন্য নির্দেশ দিয়েছে।এরই মধ্যে যুদ্ধের আশঙ্কায় সীমান্ত থেকে পাক রেঞ্জার্স গুলিকে সরিয়ে সেনাবাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে দায়িত্ব। আপনাদের বলে রাখি মূলত পাকিস্তানি রেঞ্জার্সরা পাকিস্তান সীমান্ত সুরক্ষার দায়িত্ব নিয়ে থাকে।আর সীমান্তের ওপারে সেনাছাউনিতে পাক রেঞ্জার্স দের মোতায়ন করা হয়ে থাকে কিন্তু যেভাবে পুলওয়ামা ঘটে যাওয়া জঙ্গিহানা ভারতীয় দের মনে একটা ছাপ ফেলেছে, ঠিক সেরকমই পাকিস্তানিদের মধ্যে টেনশন রয়েছে তার পাল্টা জবাব কে নিয়ে।

 

আর সেই জন্যেই তাড়াতাড়ি করে পাকিস্তানে সেনা ছাউনির গুলি থেকে রেঞ্জার্সদের সুরক্ষা সরিয়ে দিয়ে পাক সেনাদের সেখানে মোতায়ন করেছেন পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।তবে আপনাদের সুবিধার্থে আরো একটা জিনিস বলে দি, এই সময় পাকিস্তান আর্থিক সংকটে ভুগছে।আর এই পরিস্থিতিতে যদি তারা যুদ্ধের মধ্যে নামে তাহলে তারা তাদের নিজের বিপদ নিজেরায় ডেকে নিয়ে আসছে। ভারতীয় সরকার জানায় যে সীমান্তের পাশে এখনো 1400 টির বেশী আশ্রয় স্থল বানানো হয়েছে। আরো কিছু আশ্রয়স্থল বানানোর কাজ করছে ভারতীয় সরকার।

Related Articles

Back to top button