আমেরিকা-ব্রিটেনের মতো তাহলে এবার কী ভারতেও লাগবে তৃতীয় ডোজ, মুখ খুললেন এইমস এর ডিরেক্টর

বর্তমান পরিস্থিতিতে করোনা মোকাবিলা করতে ইতিমধ্যেই প্রায় সব জায়গায় জায়গায় করোনার দ্বিতীয় টিকাকরণের কাজ শুরু হয়ে গেছে। আমেরিকায় ইতিমধ্যেই তৃতীয় ঢেউ এর কারণে আবার নতুন করে বুস্টার ডোজ হিসাবে তৃতীয় ডোজ দেওয়া শুরু হয়েছে। এই নিয়ে উদ্বিগ্ন গোটা ভারত। তবে কী শুধুমাত্র দুটি ডোজই পর্যাপ্ত নয় করোনা ভাইরাসের সাথে মোকাবিলা করতে। সুদূর ভবিষ্যতে কী হতে চলেছে তবে।

সংবাদ মাধ্যমের এই একই প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছিলেন এইমসের ডিরেক্টর ডঃ রণদীপ গুলোরিয়াকে। তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন, এই মুহুর্তে এখন কিছুই বলা যাচ্ছে না যে তৃতীয় ডোজের আদেও দরকার পড়বে কিনা এই মুহুর্তে সেই পরিমাণে কোন তথ্য আমাদের হাতে এসে পৌঁছায়নি। তৃতীয় টিকাকরণের প্রয়োজন ভারতে আছে কিনা সেই উত্তর সামনের বছরের মধ্যেই পেয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন ডঃ গুলোরিয়া।

ইতোমধ্যেই আমেরিকা, ইজারাইল ও ব্রিটেনে শুরু হয়ে গেছে তৃতীয় ডোজ। সেখানকার বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন করোনা মোকাবিলায় শুধু দুটি নয় বরং মানুষের শরীরে তিনটি ডোজের দরকার দুটি ডোজের থেকে তিনটি ডোজ শরীরের পক্ষে উপকারী তাদের গবেষণার এই তথ্য অনুযায়ী তারা শুরু করছে প্রস্তুতি। তবে ভারতীয় গবেষণায় এই ধরণের কোন তথ্য উঠে আসেনি। এই মুহুর্তে তৃতীয় ডোজের কোন দরকার নেই তথ্যে উঠে এসেছে।

‘বুস্টার ডোজ দেবার মতো কোন রকম প্রমাণ এই মুহুর্তে আমাদের হাতে উঠে আসেনি’ ডঃ গুলোরিয়া জানিয়েছেন। যেটুকু প্রমাণ তাদের হাতে উঠে এসেছে তার মধ্যে এখনই তৃতীয় ডোজের কোন দরকার নেই বলেই জানিয়েছে ডঃ।

বর্তমানে সব থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে করোনা ভাইরাসের ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট। গবেষকদের দাবি করোনার তৃতীয় ডোজটি ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট এর থেকেই সুরক্ষা দিচ্ছে। আগামী মাসেই করোনার তৃতীয় ডোজের ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে ও আমজনতা সেই ভ্যাকসিন নিতেও পারবে।