মহিলাদের জন্য দুর্দান্ত যোজনা LIC-র, মাত্র 29 টাকা জমিয়ে এখন পেয়ে যাবেন লক্ষ লক্ষ টাকা, বিস্তারিত জানতে

দেশে অন্যান্য বীমা সংস্থাগুলি মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হল LIC ( Life Insurance Corporation)। কারণ LIC-এর বীমা গুলি গ্রাহকদের কাছে অত্যন্ত লাভজনক। LIC নিত্যনতুন পরিকল্পনা বাজারে লঞ্চ করতে থাকে। আর এরই মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা লঞ্চ করেছে যা শুধুমাত্র মহিলাদের জন্য। এই পরিকল্পনার নাম রাখা হয়েছে, ‘আধারশিলা‘ (Aadhar Shila)’। যা বেশ অল্প সময়ের মধ্যেই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এই বীমা শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট বয়সের মহিলারাই করতে পারবে।এই পরিকল্পনায় ইনভেস্ট করার জন্য অবশ্যই প্রয়োজন আধার কার্ডের। ১লা ফেব্রুয়ারি ২০২০ আধার শিলা পরিকল্পনা লঞ্চ করা হয়েছিল।

এই বীমায় লাইভ কভার এর পাশাপাশি সেভিংস এরও সুবিধা পাবেন। একজন মহিলা এই স্কিমে প্রত্যহ ২৯ টাকা করে সেভিংস করেন, তাহলে পলিসি ম্যাচুরিটি হলে পেয়ে যাবেন চার লক্ষ টাকা। পলিসি চলাকালীন গ্রাহকেরা তার এই পলিসি থেকে লোন নেওয়ার ও সুবিধা পেয়ে যাবেন।

এই পরিকল্পনার সময়সীমা: ৮ থেকে ৫৫ বছরের যেকোনো বয়সের মহিলা এই বীমা করতে পারবেন। এই বীমা ন্যূনতম ১০ বছরের জন্য কিনতে হবে। সর্বাধিক ২০ বছরের জন্য বীমাপত্রে ইনভেস্ট করা যেতে পারে। তবে ম্যাচিওরিটির সময় মহিলার বয়স ৭০ বছরের বেশি হতে পারবে না।

কত টাকার বিনিয়োগ এই পরিকল্পনায় করা যাবে: এই পরিকল্পনায় ন্যূনতম৭৫ হাজার টাকার বীমা করা যেতে পারে। অধিকতম ৩ লক্ষ টাকার বীমা করা যাবে। বীমা হোল্ডার এই বীমাতে এক্সিডেন্টাল বেনিফিটও পাবেন। এবং দরকারে বীমা থেকে গ্রাহক লোন ও নিতে পারবেন।

এই পরিকল্পনায় প্রিমিয়াম এর পরিমান:-

কোন মহিলার বয়স ২০ হলে ২০ বছরের জন্য ৩ লক্ষ টাকার বীমা নিয়ে থাকলে তাকে বছরে ১০,৬৫০ টাকা প্রিমিয়াম দিতে হবে তবে। তবে এই প্রিমিয়াম এর পরিমান বয়স ও সময় অনুপাতে ভিন্ন হতে পারে। এই পরিকল্পনার ম্যাচুরিটি বেনিফিট: ম্যাচিউরিটি তে পেয়ে যাবেন ২ লক্ষ টাকা এবং ২ লক্ষ লয়েন্টি বোনাস হিসাবে।

প্রিমিয়াম পেমেন্ট এর ব্যবধান:-

এই প্ল্যানে প্রত্যেক মাসে , তিন মাস অন্তর, ছ মাস অন্তর, এবং বছরে একবার হিসেবে প্রিমিয়াম দেওয়া যেতে পারে।সময়ের মধ্যে প্রিমিয়াম দিতে ভুলে গেলেও ৩০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড দেওয়া হবে। মাসের হিসাবে প্রিমিয়াম দিলে ১৫ দিনের গ্রেস পিরিয়ড পাওয়া যাবে।

ক্যাস্ট বেনিফিট:-

পলিসি শুরু হওয়ার 5 বছরের মধ্যে পলিসি হোল্ডারের মৃত্যু হলে বীমার পুরো টাকা দেওয়া হবে। এরপর মৃত্যু হলে বীমার টাকা সঙ্গে লয়েন্টি বোনাস দেওয়া হবে নমিনীকে।

সেটেলমেন্ট:-

ম্যাচিউরিটির পর এককালীন পুরো টাকা নিতে পারেন বা কিস্তিতেও টাকা নিতে পারেন বীমা হোল্ডার।