LIC -র দুর্দান্ত পলিসিতে বাজিমাত , মাত্র ১৩০ টাকা করে জমা করলেই ম্যাচউরিটি হবার সময় পাবেন ২৭ লক্ষ টাকা

লাইফ ইনসিওরেন্স ইন্ডিয়ার (LIC) পক্ষ থেকে মেয়েদের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখেই নিয়ে আসা হচ্ছে একটি বিশেষ স্কিম। সম্প্রতি শোনা যাচ্ছে এলআইসির এই নতুন যোজনায় ১৩০ টাকা করে জমালে ম্যাচিউরিটি শেষে পাওয়া যাবে ২৭ লক্ষ টাকা। এলআইসির তরফ থেকে একাধিক যোজনা চালানো হলেও আশা করা যাচ্ছে এটি সবথেকে বেশি গ্রহণযোগ্যতা পেতে চলছে। মূলত মেয়েদের কথা মাথায় রেখেই এই স্কিমটি চালু করা হচ্ছে । এই পলিসি এর নামকরণ করা হয়েছে LIC কন্যাদান পলিসি (LIC Kanyadaan policy) । মূলত সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের মেয়েদের বিয়ের জন্য অনেক টাকা লাগে ।

সে ক্ষেত্রে বাবা মা-রা এই স্কিমে টাকা জমিয়ে ভবিষ্যতে মেয়েদের বিয়ের জন্য মোটা অঙ্কের টাকা জমাতে পারবেন। এছাড়াও মেয়েদের ভবিষ্যতে পড়াশোনার জন্য এই পলিসিটি খুবই কাজে দেবে। উচ্চশিক্ষার জন্য মেয়ের বাবারা এই পলিসিতে টাকা জমা করতে পারবেন। এই পলিসিতে প্রতিদিন ১৩০ টাকা করে জমা করতে হবে। যা বছরে গিয়ে দাঁড়াচ্ছে ৪৭,৪৫০ টাকায়। হিসাব মত দেখা যাচ্ছে ২৫ বছরে এই জমানো টাকা গিয়ে দাঁড়াচ্ছে ২৭ লক্ষ টাকায়। মূলত একটি মোটা অংকের টাকা পাচ্ছেন গ্রাহকেরা ।

তবে এলআইসির এই পলিসিতে বিনিয়োগকারীর নূন্যতম বয়স ৩৯ বছর হওয়া চাই। এবং যে কন্যার জন্য পলিসিটি করা হচ্ছে তার বয়স ১ বছর হতে হবে। এলআইসির এই পলিসিটি ১৩ বছরের আগে ম্যাচিওর হবে না । যদি দুর্ঘটনাবশত কোন পলিসি হোল্ডারের মৃত্যু হয় সে ক্ষেত্রে এলআইসি তরফ থেকে অতিরিক্ত ৫ লক্ষ টাকা দেওয়া হবে। সুতরাং পলিসি হোল্ডারের মৃত্যুর পর কোনরূপ ক্ষতিগ্রস্ত হবে না যে কন্যার জন্য পলিসিটি করা হচ্ছে সেই কন্যা । উপযুক্ত বেনিফিট দেবে এলআইসি । যদি কোন ব্যক্তি ৫ লক্ষ টাকা বিমা নিয়ে থাকে সে ক্ষেত্রে ২২ বছর পর্যন্ত তাকে প্রতি মাসে ১৯৫১ টাকা দিতে হবে।

সে ক্ষেত্রে ম্যাচিউরিটি শেষে পাওয়া যাবে ১৩.৩৭ লক্ষ টাকা। এই একই পদ্ধতিতে কোন ব্যক্তি যদি ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিমা করেন তাহলে সে ক্ষেত্রে সেই ব্যক্তিকে প্রতি মাসে প্রিমিয়াম দিতে হবে ৩৯০১ টাকা ।২৫ বছর পর সেই ব্যক্তি পাবেন ২৬.৭৫ লক্ষ টাকা। এই পলিসি করলে বিনিয়োগ কারীরা তাদের ট্যাক্স ছাড় পাবেন। আয়কর নিয়মানুসারে ১৯৬১ ধারা ৮০ -সি অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১.৫০ টাকা পর্যন্ত ছাড় পাওয়া যাবে ট্যাক্সে। এই স্কিমটি পেতে গেলে সমস্ত গ্রাহককে উপযুক্ত তথ্য-প্রমাণ দিতে হবে ।যেমন আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, বার্থ সার্টিফিকেট ইত্যাদি এই সমস্ত ডকুমেন্ট ছাড়া পলিসি করার জন্য আবেদন করা হবে না।