মোদি মমতা মিটিং এ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু, অবশেষে মুখ খুললেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী দিলেন বড় বয়ান

ইয়াস পর্যালোচনা বৈঠকে ডাক পেয়েও এদিন কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী উপস্থিত থাকতে পারেননি। এই প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীকে সমর্থন করে ভিডিও বার্তায় এই প্রদেশ কংগ্রেস নেতা জানান, ‘গতকাল কলাইকুণ্ডার বৈঠকে আমিও আমন্ত্রিত ছিলাম’। অধীর চৌধুরী বলেছেন যে সময় তিনি আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন সেই সময় তাঁর পক্ষে ওই মিটিংয়ে উপস্থিত থাকা সম্ভব ছিল না। এই কারণেই সেই মিটিং-এ অনুপস্থিত ছিলেন অধীর চৌধুরী।

 

ইয়াস বিপর্যস্ত এলাকা পরিদর্শনের জন্য প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবাংলায় এলে তাঁর সাথে ভদ্র আচরণ করেননি মুখ্যমন্ত্রী এমনই অভিযোগ তুলেছে বিরোধিরা। এর পাশাপাশি বিরোধিরা আরও জানিয়েছেন যে প্রধানমন্ত্রীকে ৩০ মিনিট বসিয়ে রেখে, মাত্র ৫ মিনিটের জন্য এসে লিখিত আবেদন ধরিয়ে দিয়েই আবারও সেখান থেকে বেরিয়ে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি।

এর জবাবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি জানিয়েছেন যে পশ্চিমবাংলা বাসীর কল্যাণের জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পা ছুঁতেও রাজি আছেন। কিন্তু তাঁকে যেন অযথা অপমান, বদনাম না করা হয়। এরপর মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ তুলে বলেন যে প্রধানমন্ত্রীর সাথে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে কেন আমন্ত্রিত ছিলেন না বিরোধী দল নেতারা।

মুখ্যমন্ত্রীর এই অভিযোগের জবাব দিতে গিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, ‘ওড়িশার ইয়াস বৈঠকে বিরোধী দলনেতা প্রদীপ নায়েককে ডাকা হলেও, তিনি করোনা পজেটিভ হওয়ার কারণে সেখানে উপস্থিত হতে পারেননি। বাংলায় প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীকে বৈঠকে থাকার কথা বলে হলেও, তিনি দিল্লীতে থাকার কারণে আসতে পারেননি। আর আমাকে প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকেই ফোন করে ডাকা হয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রী মনে হয় এসব জানেন না’।

এরপর শুভেন্দু অধিকারীকে সমর্থন করতে গিয়ে অধীর রঞ্জন চৌধুরী ভিডিও বার্তায় জানান, ‘গতকাল কলাইকুণ্ডার বৈঠকে আমিও নিমন্ত্রিত ছিলাম। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে আমাকে সকাল সাড়ে ৭ টায় খবর দেওয়া হয়। কিন্তু বেলা ২ টোর মধ্যে কলাইকুণ্ডায় পৌঁছানোর মত কোন ব্যবস্থা আমার ছিল না। তাই তখনই আমি বলে দি, যে আমি যেতে পারব না’।