করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হলো কিসিং বাবার ! চুম্বনের কারনেই করোনা পজিটিভ আরো 29 জন ভক্ত

যেখানে বিশ্বের তাবড় তাবড় দেশের চিকিৎসাব্যবস্থা হার মেনে যাচ্ছে করোনাকে আটকাতে সেখানে এক তান্ত্রিক বাবা নাকি বিধান দিচ্ছেন যে, হাতে চুম্বন করলেই নাকি করোনা চলে যাবে। এই তান্ত্রিক বাবা হলেন একজন মুসলিম। সম্প্রতি এই ঘটনার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় শোরগোল পড়ে যায়। এই তান্ত্রিক বাবা নাকি করোনাতে আক্রান্ত হয়ে মারা যান এবং তারপর এই সমস্ত ঘটনা উদঘাটন হতে শুরু করে ধীরে ধীরে। তিনি তো করোনাতে আক্রান্ত হলেন তার সঙ্গে সেই মুসলিম তান্ত্রিকের 29 জন ভক্ত কেউ আক্রান্ত করলেন।

আজকের দিনে যেখানে আমাদের বিজ্ঞান এতটা উন্নত সেখানেও ঝাড়ফুঁক, তন্ত্র-মন্ত্রের উপর বিশ্বাস করে করোনায় আক্রান্ত হয়ে গেলেন রতলামের নয়াপুরার বেশ কয়েকজন মানুষ। এই খবর সামনে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছে গত 4 জুন এক আসলাম নামের ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। এই মৃত্যুর কারণ হল করোনা ভাইরাস। যখন ধরা পরল ওই মুসলিম ব্যক্তিটি করোনা ভাইরাসের কারনে মারা গেছেন তখন তার সংস্পর্শে আসা লোকজনদের চিহ্নিত করা হয়েছে।

এরপর যখন তাদের পরীক্ষা করে তখন তাদের মধ্যেও করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে। কিন্তু অনেকেই বলছেন যে, এই মুসলিম ব্যক্তি যিনি করোনা ভাইরাসে মারা গেছেন তিনি নাকি আসলে তান্ত্রিক নয় এটা ভুল খবর।আসলাম নামের ওই মুসলমান ব্যক্তি নাকি আগে নানান ধরনের তাবিজ-কবজ দিয়ে সেখানকার মানুষের সমস্যার সমাধান করতেন। এবার করোনা ভাইরাস জ্বরে আক্রান্ত না হয় অর্থাৎ এ করোনা ভাইরাস থেকে বাঁচার জন্য তিনি নাকি ওষুধ দিতেন। এবং ভক্তদের অর্থাৎ যারা ওষুধ নিয়ে আসতেন তাঁদের হাতে চুম্বন করতেন।

যেখানে বড় বড় চিকিৎসক করোনা ভাইরাসের ওষুধ তৈরি করতে ব্যর্থ সেখানে এই ব্যক্তিটি এত সহজে করোনা থেকে বাঁচার জন্য উপায় বলে দিচ্ছে তাই এই ভেবে তার কাছে ভিড় জমাতো অনেকেই। এমনি ভাবেই চলতে থাকা পর ওই মুসলিম ব্যক্তিটির করোনা পজেটিভ ধরা পড়ে। এর পরেই সঙ্গে সঙ্গে সেখানকার সরকার ওই পুরো অঞ্চলটিকে করোনা হট স্পট হিসেবে চিহ্নিত করে। আসলাম এর মৃত্যুর পর তার সংস্পর্শে আসা 29 জনের দেহে করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে।

ইতিমধ্যে সেখানকার প্রশাসন তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করছে এবং আরও করোনা পজেটিভ কেস রয়েছে কিনা তা সনাক্তকরনের কাজ চলছে। ওই অঞ্চলে যে সমস্ত ব্যক্তিদের কোয়ারান্টিনে দেখা হয়েছে তাদের বক্তব্য যে সেখানকার সরকার তাদের কোন স্পেশাল সুবিধা দিচ্ছে না শুধু কোয়ারান্টাইন এর নাম করে এক জায়গায় আটকে রেখেছে। এছাড়াও তারা যাবি জানিয়েছেন যে তাদের সমস্ত কাজ বন্ধ রেখে সরকারের নির্দেশ অনুসারে তারা কোয়ারেন্টাইনে এসেছে তাদেরকে কোনো সুযোগ-সুবিধা কেন দেওয়া হচ্ছে না।