‘১৯৪৭-এর পাওয়া স্বাধীনতাটা ভিক্ষা ছিল’, “২০১৪ তে প্রকৃত স্বাধীনতা পেয়েছে ভারত” কঙ্গনার বিতর্কিত মন্তব্যে দায়ের হল অভিযোগ

এতদিন সকলে যা জানতাম ভারতের স্বাধীনতার ইতিহাস এক লহমায় বদলে দিলেন বলিউডের জনপ্রিয় নায়িকা কঙ্গনা রানাওয়াত (kangana ranawat)! ১৯৪৭ সালে নাকি ভারত স্বাধীনই হয়নি। ওটা শুধু মাত্র ‘ভিক্ষা’ ছিল। আসল স্বাধীনতা এসেছে ২০১৪ সালে, হটাৎ দাবি করে শিরোনামে এসেছেন কঙ্গনা রানাওয়াত। তাঁর এই মন্তব‍্যের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছে পুলিসে অভিযোগ।সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা দাবি করেন, ১৯৪৭ সালে যে স্বাধীনতা এসেছিল সেটা আসলে ‘ভিক্ষা’ ছিল। ভারত প্রকৃতপক্ষে স্বাধীনতা পেয়েছে ২০১৪ সালে।

কঙ্গনার এই মন্তব‍্য তোলপাড় করেছে নেটদুনিয়া।নেটিজেনদের অভিযোগ এই মন্তব‍্য করে দেশের জন‍্য শহিদ হওয়া স্বাধীনতা সংগ্রামীদের অপমান করেছেন অভিনেত্রী অনেক নেটিজেনরা অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে দেশদ্রোহিতার অভিযোগ করেছেন পুলিসের কাছে। আম আদমি পার্টির নেত্রী প্রীতি শর্মা মেনন বলেছেন কঙ্গনার এই মন্তব‍্য মানহানিকর,ভারতীয় দণ্ডবিধির ৫০৪, ৫০৫, এবং ১২৪ এ ধারায় মামলা দায়েরের আবেদন করেছেন তিনি।

বিজেপি নেতা বরুণ গান্ধী কঙ্গনাকে উপহাস করে টুইট করেছেন: “কখনও মহাত্মা গান্ধীর ত্যাগের প্রতি অসম্মানজনক, কখনও কখনও তিনি তার হত্যাকারীর প্রশংসা করেন, এবং এখন মঙ্গল পান্ডে, রানি লক্ষ্মীবাই, ভগত সিং, চন্দ্রশেখর আজাদ, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু এবং লক্ষ লক্ষ স্বাধীনতা সংগ্রামীদের সংগ্রাম দের তুচ্ছ করে।” এই ভাবনাকে পাগলামি বলব নাকি দেশদ্রোহিতা?’

কিছুদিন আগে নেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা দাবি করেছিলেন, স্বাধীন ভাবে মত প্রকাশের জন‍্য তাঁর নামে তাঁর নামে আরো মামলা দায়ের হবে। সেটা তিনি জানেন। সম্প্রতি, কঙ্গনা দেশের একজন নিখুঁত নাগরিক হওয়ার জন্য পদ্মশ্রী পেয়েছেন। পদ্মশ্রী পাওয়ার পর ভিডিও বার্তা দিলেন কঙ্গনা। সেখানে, তিনি বলেছেন, অর্থের চেয়ে তার শত্রুরা বেশি। অনেকেই তাকে প্রশ্ন করেন যে তিনি এর থেকে কী পেয়েছেন। তাদের উদ্দেশে অভিনেতার বার্তা ছিল, “আজ আমি পদ্মশ্রী সম্মান পেয়েছি, এটা অনেকের মুখ বন্ধ করে দেবে।”