Skip to content

প্লাস্টিক সার্জারি নয় বরং এই প্রকৃতিক উপায়ে সুন্দরী হয়েছেন কাজল কন্যা নাইসা নিজের মুখে করলেন স্বীকার

যতই চাকচিক্যপূর্ণ জীবন হোক না কেন বলিউড তথা টলিউড নায়ক নায়িকাদের জীবন, আপাতদৃষ্টিতে যতই সুন্দর দেখতে হোক না কেন, প্রাইভেসি বলে কোন কিছুই থাকে না এই মানুষগুলোর জীবনে। পড়াশোনা থেকে শুরু করে গায়ের রং, পার্টি থেকে শুরু করে সম্পর্ক, সবকিছুতেই সব সময় করা দৃষ্টি রয়েছে মিডিয়ার। কিছুদিন আগেই যেমন অজয় দেবগন এবং কাজলের মেয়ে নাইসার হঠাৎ সৌন্দর্যের পেছনে কি রহস্য লুকিয়ে রয়েছে তা জানার জন্য রীতিমতো ইচ্ছুক হয়েছিলেন মিডিয়া থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ।

এখানে বলে রাখি, ছোটবেলা থেকেই সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হতে অজয় দেবগন এবং কাজলের কন্যা নাইসার ছবি। স্টার কিড বলে কথা!! অনেকেই দাবি করতেন, নাইসা নাকি বাবা মার মত একেবারেই সুন্দর নন। তবে সম্প্রতি অজয় কন্যার এমন কিছু ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়েছে, যা দেখে সকলে তাজ্জব বনে গেছেন। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ছবিতে দেখা যাচ্ছে অজয় দেবগনের মেয়ে আগের থেকে অনেক বেশি ফর্সা হয়ে গেছে এবং দেখতে আগের থেকে হয়েছেন অনেক বেশি সুন্দরী।

ছবিগুলি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর অনেকে দাবী করেছেন তিনি প্লাস্টিক সার্জারি বা অন্যান্য চিকিৎসার মাধ্যমে ত্বকের রং ফর্সা করেছেন। শুরু হয়ে গেছে উপহাসের বন্যা। এই নিয়ে এতদিন অজয় দেবগন বা কাজল কোন কথা না বললেও এবার মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী কাজল। মেয়েকে এভাবে উপহাসের সম্মুখীন হতে দেখে জোর গলায় কাজল জানান, কোনরকম প্লাস্টিক সার্জারি কিংবা অন্যান্য চিকিৎসা নয় বরং স্বাস্থ্যকর খাবার এবং ত্বকের চর্চা করে তিনি বদলে দিয়েছেন মেয়ের রূপ।

কাজল জানান, সকালে উঠে গরম জল, টাটকা ফল সবজি এবং ডিম সেদ্ধ খেয়ে সারাদিন থাকেন নাইসা। সঙ্গে ত্বক চর্চার জন্য বিভিন্ন ধরনের ফেস মাস্ক ব্যবহার করেন তিনি। শুধুমাত্র এই রুটিন অনুসরণ করেই নিজের গায়ের রং এবং চেহারা বদলে ফেলেছেন নাইসা। তবে কাজলের এই দাবিকে পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছেন জনতার একাংশ। তাদের বক্তব্য, এই রুটিন অনুসরণ করে কখনোই গায়ের রং এতটা বদলানো যায় না। ত্বকের রং ত্বকের মেলানিনের উপর নির্ভর করে যা বদলে যাওয়া সম্ভব প্লাস্টিক সার্জারির মাধ্যমে।