“জয় বাংলা-জয় জহর”-প্রকল্পে এক পয়সাও যেন নয়-ছয় না হয়, নাহলে আমি ছেড়ে কথা বলবো না মুখ্যমন্ত্রী

আজ শনিবার দিন দক্ষিণ 24 পরগনার কাকদ্বীপের মহকুমা শাসকদের দপ্তরে আয়োজিত করা হয়েছিল প্রশাসনিক এক বৈঠকের। যেখানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সামাজিক প্রকল্পের টাকা সরাসরি উপভোক্তাদের হিতে পৌঁছে দেবার দরুন এ কথা ঘোষণা করেন যে এবার এই টাকা কোনো পঞ্চায়েত বা কারো হাতে তুলে দেওয়া হবে না। সরাসরি এই টাকা প্রশাসনিক অধিকারীরা উপভোক্তাদের কাছে পৌঁছে দেবেন। এর পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রীর এই দিন আরও জানান “জয় বাংলা জয় জহর”-প্রকল্পের এক পয়সাও যেন এদিক ওদিক না হয় আর যদি হয়ে থাকে তাহলে আমি এক্ষেত্রে ছেড়ে কথা বলবো না।

এই টাকা যেন সরাসরি প্রাপকদের হাতে দেওয়া হয়, এক্ষেত্রে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কিংবা পঞ্চায়েত সমিতির কাউকে নয়। টাকা গরিব মানুষের হাতে পৌঁছে দিতে হবে।তাই প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কড়া নির্দেশ দিয়ে মমতা ব্যানার্জি জানান এক্ষেত্রে কোন রকম সময় অপচয় করা যাবে না তাই কাজটা যতটা শিগগির সম্ভব করে ফেলা উচিত। এর পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী আরো জানান এমনিতেই করোনার জেরে কোন রোজগার নেই সরকারের এক টাকাও পায়নি করোনার জন্য বলে বড় কোনো প্রজেক্ট হাতে নেওয়া যাবে না খুব সমস্যা তৈরি হয়েছে।

তাছাড়া এই ঘূর্ণিঝড় আমফানের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাজ্যের 6 কোটি মানুষ।যাদের মধ্যে আবার দক্ষিণ 24 পরগনা অঞ্চলেই শুধুমাত্র 73 লক্ষ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, আর এই ঝড়ের কারণে দশ লক্ষেরও বেশি মানুষের বাড়ি ভেঙে গিয়েছে সেখানে। পাশাপাশি ডায়মন্ড হারবারে ভেঙ্গেছে দেড় লক্ষ বাড়ি, তার পাশাপাশি ওই জেলাতে ভেঙে গিয়েছে 56 কিলোমিটার বিস্তৃত নদী বাঁধ। যেটিকে বর্ষা আসার আগেই সারাতে হবে না হলে বর্ষার জেরে হতে পারে আবারও বড় সমস্যার সৃষ্টি। তার পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী হবে জানান যে এবার পঞ্চায়েত থেকে সেচ, কৃষি সব দপ্তর মিলে যৌথভাবে সমীক্ষা চালাবে এবং এই মুহূর্তে সবকিছুর পুনর্গঠন এর উপরে সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হবে।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি সুপার সাইক্লোন আমফানের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাজ্যের 6 কোটি 70 লক্ষ মানুষ আর এটি একটি জাতীয় বিপর্যয়ের থেকেও বড় ক্ষতি।