গ্ৰাহকদের বড়সড় ঝটকা দিয়ে আবারো রিচার্জ প্ল্যানের দাম বাড়াতে চলেছেন মুকেশ আম্বানির সংস্থা Jio

দেশ জুড়ে শুরু হতে চলেছে ফাইভ-জি পরিষেবা এবং এই পরিষেবা দেওয়ার জন্য ইতিমধ্যেই প্রায় প্রস্তুত প্রত্যেক টেলিকম সংস্থা। ফাইভ-জি পরিষেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে সবথেকে এগিয়ে রয়েছে রিলায়েন্স জিও। সোমবার রিলায়েন্স জিওর AGM ছিল যেখানে ফাইভ-জি রোলআউট বিষয়ে সবিস্তারে জানান মুকেশ আম্বানি। ফাইভ-জি স্পেকট্রাম এর জন্য যেরকম টাকা খরচ করা হয়েছিল, এবার পরিকাঠামো তৈরি করতেও ২ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে চলেছে জিও সংস্থা।

তবে ফাইভ-জি পরিকাঠামো তৈরি করার জন্য এই মোটা অংকের টাকা বিনিয়োগ করার প্রভাব কিন্তু পড়বে গ্রাহকদের ওপর। শেয়ার বাজার নিয়ে গবেষণা করা সংস্থা জেফারিস জানিয়েছেন, জিও এত বৃহৎ অংকের টাকা পোষাতে নিজেদের প্ল্যানের দাম বাড়াতে পারে। রিপোর্টে আরো জানানো হয়েছে, এর আগে ২০২১- ২২ সালে এক একজন গ্রাহকদের কাছ থেকে জিও সংস্থা আয় করত ১৫০ টাকা, যেটা বর্তমানে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭৬ টাকাতে।

জেফরিসের রিসার্চ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মধ্যে প্রত্যেক প্ল্যানের দাম বাড়িয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে ২০০ টাকা আয় করতে চাইছে রিলায়েন্স জিও। আগামী দিনে নিজেদের লাভবান করতে প্রিপেড এবং পোস্টপেইড উভয় রিচার্জের দামই বাড়িয়ে দিতে হবে। এদিকে ফাইভ-জি স্পেক্ট্রাম নিলামের পর থেকেই গ্রাহকরা চিন্তিত হয়ে পড়েছে কারণ সকলেই বুঝতে পারছে আগামী দিনে রিচার্জ করার জন্য আরও বেশি অর্থ দিতে হবে তাদের।

টেলিকম সংস্থাগুলিকে ফাইভ জি স্পেকট্রামের জন্য সরকারকে দিতে হয়েছে ১,৫০,১৭৩ টাকা। এই বাড়তি খরচ তোলার জন্য গ্রাহকদের উপর চাপ সৃষ্টি করবে সংস্থা গুলি। নিলামে সব থেকে বেশি দর হেঁকেছিলেন মুকেশ আম্বানি। তিনি ৮৮,০৭৮ কোটি টাকা দিয়ে কিনেছেন ফাইভ-জি স্পেকট্রাম। দীপাবলীর মধ্যেই দেশের ১৩ টি বড় বড় শহরে ফাইভ জি পরিষেবা প্রদান করতে শুরু করে দেবে জিও। এবার দেখার ফাইভ-জি পরিষেবা প্রদান করার জন্য গ্রাহকদের উপর ঠিক কতখানি চাপ সৃষ্টি করবে রিলায়েন্স জিও সংস্থা।