সহজেই মিলবে পারিবারিক পেনশনের টাকা, কেন্দ্রের তরফে ব্যাঙ্কগুলিকে একাধিক নির্দেশ মেনে চলার পরামর্শ

পেনশন প্রাপকের মৃত্যুর পর তার প্রাপ্য পেনশন ওই ব্যক্তির পরিবারের সদস্যরা পায় এটা আমরা অনেকেই জানি। কিন্তু হঠাৎ করেই পেনশন প্রাপক ব্যক্তি যদি মৃত্যু হয় তার পেনশনটি পরিবারের অন্য ব্যক্তির নামে বের করতে অনেকই ঝক্কি পোহাতে হয় পরিবারের অন্য মানুষদের। এবার এই নিয়মকে মসৃণ করল কেন্দ্র সরকার।

কর্মীবর্গ, গণঅভিযোগ ও পেনশন মন্ত্রকের আওতাধীন পেনশন ও পেনশনপ্রাপক কল্যাণ বিভাগের সমস্ত দিক বিবেচনা করে পরিবারিক পেনশন মামলার দ্রুত নিষ্পত্তির ঘটানোর তাগিদে সমস্ত ব্যাঙ্কগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। পেনশন প্রাপকের মৃত্যুর পর তার স্ত্রী বা স্বামী ন্যূনতম কিছু ডকুমেন্টস জমা দিয়েই পুনরায় তার প্রাপ্য পেনশন চালু করতে পারেন।

পেনশন পুনরায় চালুর জন্য কী কী নথির প্রয়োজন হবে?

১. পেনশনপ্রাপকের সঙ্গে তার নিজের স্ত্রী/স্বামীর জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে:

২) পেনশন শুরুর জন্য একটি আবেদন পত্রের জমা করতে হবে।

৩) পেনশন প্রাপকের মৃত্যু শংসাপত্র জমা করতে হবে।

৪) পেনশন প্রাপককে দেওয়া পিপিও-র কপি, যদি থাকে তার প্রত্যাহিত নকল জমা দিতে হবে

৫) পেনশন প্রাপকের স্ত্রী বা স্বামী যিনি পেনশনের আবেদন করছেন তার বয়স বা জন্মতারিখের প্রমাণপত্র জমা করতে হবে।

যদি মৃত পেনশনপ্রাপকের সঙ্গে নিজের স্ত্রী/স্বামীর জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট থাকবে না:-

১) যদি মৃত ব্যক্তির সাথে পেনশন আবেদনকারীর কোন জয়েন্ট একাউন্ট না থাকে সে ক্ষেত্রে দু’জন সাক্ষীর স্বাক্ষর দিয়ে ‘ফরম ১৪’-তে আবেদন করতে হবে।

২) পেনশনপ্রাপককে দেওয়া পিপিও-র কপি জমা দিতে হবে।

৩) আবদেনকারীর বয়স/জন্মতারিখের প্রমাণপত্র।

৪) পেনশন প্রাপকের মৃত্যু শংসাপত্র জমা দিন।

পরিশেষে বলে রাখি আবদেনকারীর বয়স/জন্মতারিখের প্রমাণপত্র–

ব্যাঙ্ক পিপিওতে দেওয়া তথ্যের উপর ভিত্তি করেই স্বামী/ স্ত্রী, পরিবারের সদস্যকে অনায়াসেই সনাক্ত করা যাবে। তাই ফর্ম ১৪ কোনো গেজেটেড অফিসারকে দিয়ে অ্যাটেস্টেড করানোর দরকার নেই।