অবশেষে চাঁদের বুকেই খোঁজ মিলল ল্যান্ডার বিক্রমের, ইসরোর বিজ্ঞানীদের হাতে এল সেই ছবি

শনিবার মধ্যরাতে চাঁদের মাটিতে চন্দ্রযান 2 এর ল্যান্ডার বিক্রমকে দেখতে সকল দেশবাসীসহ সারা বিশ্বের নজর ছিল। তবে চন্দ্রপৃষ্ঠে থেকে যখন 2.1 কিলোমিটার দূরে ছিল তখন ভারতীয় স্পেস রিসার্চ অর্থাৎ ইসরোর সদর দপ্তর এর সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়  বিক্রম (চন্দ্রযান-2) এর। চন্দ্রযান টু এর উপর শুধু ভারতেরই নজর ছিল না গোটা বিশ্বের এর উপর নজর ছিল। এই মিশনের জন্য ইসরো বিদেশ থেকেও অভিনন্দন পেয়েছিল। এই মিশন যাতে পুরোপুরি সফলতার জন্য প্রার্থনা করা হয়েছিল।

কিন্তু একদম শেষ মুহূর্তে এসে হতাশার সম্মুখীন হতে হয় এই মিশনে যারা যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। তাই সারা ভারতবাসীও দুঃখী। আর তারপরই শনিবার ভোররাত থেকেই ইসরোর ব্যাঙ্গালোর কন্ট্রোল রুমে যেন থমথমে নিঃশব্দতা আশ্রয় নেয়। তবে এরপরও ভারতের ইসরোর বিজ্ঞানীরা নিজেদের হাল ছেড়ে দেয়নি তারা চেষ্টা চালাচ্ছিলেন বিক্রমকে খোঁজ করার।তবে এখন যে খবরটি বেরিয়ে আসছে সেটি সকল ভারতবাসীর কাছে খুশির খবর হয়ে দাঁড়াতে পারে।

 

কারণ পাওয়া খবর থেকে জানতে পারা গেছে যে অবশেষে খোঁজ পাওয়া গেল সেই ল্যান্ডার বিক্রমের। রবিবার দিন বিক্রম কে খুঁজে পাওয়ার খবর জানালেন ইসরোর প্রধান ডক্টর কে শিবন।সূত্রের খবর থেকে জানতে পারা গেছে চন্দ্রযান টু-এর অর্বিটার কে কাজে লাগিয়েই ইসরোর বিজ্ঞানীরা অবশেষে সন্ধান পেল ল্যান্ডার বিক্রমের। ‘থার্মাল ইমেজিং’-এর মাধ্যমে চন্দ্রপৃষ্ঠের  তাপমাত্রা পরিমাপ করে আলাদা করে চিহ্নিত করা গিয়েছে ল্যান্ডার বিক্রমের অবস্থান।

চন্দ্রপৃষ্ঠের মধ্যে পাওয়া গেছে ল্যান্ডার বিক্রমের সন্ধান।যদিও এখনও পর্যন্ত পাওয়া খবর থেকে জানতে পারা গেছে যে বিক্রমের সঙ্গে কোন প্রকার যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়ে উঠেনি।কারণ অরবিটালের পাঠানো ছবিতে এটা পরিষ্কার হয়ে গেছে যে ল্যান্ডার বিক্রমের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আপাতত ইসরোর বিজ্ঞানীরা বিক্রমের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা করে চলেছেন। বিক্রমের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করা সম্ভব হলেই তবেই মিলবে জরুরি তথ্য।আর ঠিক কী ঘটেছিল ল্যান্ডিংয়ের সময়ে বিক্রমের সাথে তা জানা যাবে সেই তথ্য বিশ্লেষণ করেই।