ISRO বাস্তবায়িত করতে চলেছে হলিউড সিনেমার বহু কল্পবিজ্ঞানকে, ভারতের প্রযুক্তি অবাক করবে গোটা বিশ্বকে

ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (ISRO) ভারতের রাষ্ট্রীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা, যার কার্যালয় বেঙ্গালুরু শহরের অবস্থিত। এটি মহাকাশ বিভাগের অধীনে কাজ করে, যা সরাসরি ভারতের প্রধানমন্ত্রী দ্বারা তত্ত্বাবধান করা হয়, অন্যদিকে ইসরোর চেয়ারম্যান ডস-এর নির্বাহী হিসাবে কাজ করেন। আর এই ইসরো এবার একটি আন্তঃ নাক্ষত্রিক লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি এমন একটি প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে যার মধ্যে হলিউডের কল্পবিজ্ঞানের ছবিতে দেখানো কিছু ঘটনা বাস্তবে সম্ভব করা যেতে পারে।

এই পরীক্ষা ভবিষ্যতের পথে বড় পরিবর্তন আনতে সহায়ক হতে পারে। এছাড়াও ইসরোই প্রথম মঙ্গল গ্রহে যাওয়ার জন্য সবচেয়ে কম খরচ সাপেক্ষ পদ্ধতি আবিষ্কার করেছিল। ইসরো পরিকল্পনা করছে একটি আত্মধ্বংসী মহাকাশযান প্রস্তুত করার। এই স্ব-ধ্বংসী রকেট হলো অদৃশ্য হয়ে যাওয়া উপগ্রহের মত একটি বস্তু, যা এই মুহূর্তে প্রস্তুত করতে ব্যস্ত ইসরো। আজ পর্যন্ত ইসরো ৪৬ টি অবাক করার মত বিস্ময়কর বস্তু প্রস্তুত করেছে যা কখনো সাধারণত ভাবা সম্ভবই নয়। আর সেই সমস্ত জিনিস গুলি কল্পবিজ্ঞানের সিনেমায় দেখানো কাল্পনিক বিষয় গুলোর মতন।

ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা অর্থাৎ ইসরোর চেয়ারম্যান ‘কে সিভান’ একটি নামী সংবাদসংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তার বক্তব্য রেখেছেন যে, “বর্তমানে আমাদের কাছে যত রকেট আছে সেগুলি সবকটিই বিভিন্ন ধাতু দিয়ে তৈরি। একবার উৎক্ষেপণের পর সেগুলো আর কোনও কাজে লাগানো যায় না। বেশিরভাগ সময়ই সমুদ্রে ফেলে দেওয়া হয়।”

তিনি আরও বলেছেন যে “মহাকাশে পৌঁছে তাদের উদ্দেশ্য সফল হলে সেগুলিকে ফিরিয়ে আনা যায় না। ফলে সেগুলি পরিণত হয় মহাকাশে জমে থাকা ধ্বংসাবশেষে।” তিনি আরো বলেন যে, “ইসরোর পরবর্তী পরিকল্পনা হল এমন একটি প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করা, যার ফলে ওই বাতিল রকেটগুলি শূন্যেই নিজেদের ধ্বংস করে ফেলবে। এর ফলে মহাকাশে ধ্বংসাবশেষ কম জমবে এবং রকেট সমুদ্রে ফেলে সমুদ্রকেও দূষিত করার যে প্রক্রিয়া বাধ্য হয়েই চালাতে হয়, সেই প্রক্রিয়ার হাত থেকে রক্ষা করা যাবে সমুদ্র-কে।”