বড়ো সাফল্য ISRO বিজ্ঞানীদের: চন্দ্রযান-২ মিশন থেকে ভেদ হলো চাঁদের দক্ষিণ মেরুর বহু রহস্য।

প্রাচীনকাল থেকে মহাকাশের রহস্য সম্পর্কে মুনি- ঋষিরা আমাদের কিছুটা হল জ্ঞান দিয়ে গেছেন। তাদের দেওয়া তথ্যগুলো যাতে হারিয়ে না যায় তার জন্য তারা ভারতের সংস্কৃতির সাথে যুক্ত করে দিয়েছিলেন। তাই গ্রহণের তারিখ জানার জন্য অন্য দেশের মানুষেরা যেমন দূরবীনের দিকে তাকায় কিন্তু ভারতীয়রা দিন পঞ্জিকা দেখে চন্দ্রগ্রহণ, সূর্যগ্রহণ, অমাবস্যা পূর্ণিমা সমস্ত কিছু বলে দিতে পারে। বর্তমান দিনে ভারতের মহাকাশ অনুসন্ধান সংস্থা ISRO ভারতীয়দের প্রতিভাকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে আবারো সক্ষম হয়েছে।

প্রাচীন মুনিঋষিদের ডিএনএ এখনো পর্যন্ত ভারতের সমাজে রয়েছে তা ভারতীয় বিজ্ঞানীরা প্রমাণ পেয়েছে। কম খরচের মধ্যে মহাকাশ অভিযানের বড় বড় প্রজেক্ট কিভাবে করতে হয় তা ভারতীয় বিজ্ঞানীরা ইতিমধ্যে দেখিয়ে দিয়েছেন। চন্দ্রযান-2 অভিযান সফল হয়নি তা আমরা সবাই জানি। কিন্তু এই অভিযান সম্পর্কিত ISRO একটি তথ্য সামনে এনেছে। চাঁদের চারিদিকে ঘুরতে থাকা অরবিটার নতুন কোন ছবি তুলে নতুন তথ্য প্রকাশ করতে সাহায্য করছে।

ইতিমধ্যে ISRO চাঁদের রঙিন ফটো সাধারণ মানুষকে দেখার সুযোগ করে দিয়েছে। অরবিটারে থাকা DFSAR চাঁদের অনেক উন্নত মানের ছবি তুলতে সক্ষম হয়েছে। এবং অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ISRO কে দিয়েছে। এর মধ্যে যে তথ্যগুলি দিয়েছে তা হল, চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে কোথায় গর্ত রয়েছে, কোথায় পাহাড় রয়েছে ইত্যাদি সম্পর্কিত পরিষ্কার ছবি তুলে দিয়েছে এই DFSAR। ভারতীয় বিজ্ঞানীরা হিমালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ খনিজ পদার্থের সন্ধান পেয়েছে চাঁদে।

DFSAR এর মাধ্যমে ISRO যে স্পষ্ট ছবিগুলি পেয়েছে তা এখনো পর্যন্ত NASA জোগাড় করতে পারেনি। তাই এক্ষেত্রে ভারতীয় বিজ্ঞানীদের একটা খুব বড় জয় বলাই চলে। ISRO এর চন্দ্রযান-2 পুরোপুরিভাবে সাফল্য না পেলেও এর দ্বারা ভারতীয় বিজ্ঞানী রাজ্যে সন্ধান পেয়েছেন তার তারা অনেক কিছু রহস্য ভেদ করতে পেরেছেন। ISRO জানিয়ে দিয়েছে যে চন্দ্রযান-2 মিশন , 98% সফল হয়েছে। ISRO এর চেয়ারম্যান যখন সিবানের মন্দির গিয়েছিলেন কিছুজন সেটিকে নিয়ে নানান কথা বলেছিল।

কিন্তু তারা এটা জানেন না যে সনাতন ধর্ম এবং বিজ্ঞান একে অপরের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। এমনকি আপনার শুনলে অবাক হয়ে যাবেন দেশের সবথেকে বড় নিউক্লিয়ার রিসার্চ সেন্টার CERN এ ভগবান শিবের তাণ্ডব মূর্তি রাখা আছে। কিন্তু CERN ইউরোপে অবস্থিত যা পুরোপুরি খ্রিস্টানবহুল দেশ। বিজ্ঞানীদের মতে শক্তির উৎস থেকে শুরু করে ধ্বংস পর্যন্ত সমস্ত শিবের তাণ্ডব এর মাধ্যমে হয়েছে তাই রিসার্চ সেন্টারের শিবের তাণ্ডব মূর্তি রাখা হয়েছে।