সত্যিই কী রাজ্যসভার সংসদ হতে চলেছেন সৌরভ গাঙ্গুলী? দিলীপ ঘোষের মন্তব্যে আবারও বাড়ছে জল্পনা

২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনের সময় জল্পনা উঠেছিল সৌরভ গাঙ্গুলী বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন। এমনকি সৌরভ গাঙ্গুলী নাকি বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে প্রধান মুখ। তাকে সামনে রেখেই গেরুয়া শিবির ভোটে লড়তে চলেছেন বলে শোনা যায়। যদিও জল্পনা জল্পনাতে থেকে যায় সত্যি হয়নি। মহারাজ ২২ গজের ময়দান থেকে পা রাখেননি রাজনীতিতে।গত ৮ জুলাই জন্মদিন ছিল মহারাজ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের। দিদি বনাম দাদার দ্বৈরথের বদলে বৃহস্পতিবার দিদি ও দাদার মধুর সম্পর্কের ছবি সামনে এসেছে।

সৌরভ গাঙ্গুলী মমতা ব্যানার্জি

সৌরভের ৪৯তম জন্মদিনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোজা চলে যান মহারাজের বাড়িতে। তাকে হলুদ গোলাপ দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে আসেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হঠাৎ মহারাজ এর জন্মদিনে বাড়িতে যাওয়া কে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। মিডিয়া থেকে তাকে প্রশ্ন করা হয় বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় কি রাজ্যসভার সাংসদ হবেন?

জবাবে দিলীপ ঘোষ বলেন তৃণমূল যদি সৌরভ কে রাজ্যসভার সাংসদ করতে চায় তাতে গেরুয়া শিবিরের কোন আপত্তি থাকবে না। সৌরভ মমতার সাক্ষাৎতের কথা বলতে গিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন এখনকার নেতা-মন্ত্রীরা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছাড়া এক পাও নড়তে পারেন না।

দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্য ঘিরে রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে বাঙালির গর্ব সৌরভ গাঙ্গুলী কে নিয়ে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে হঠাৎ করে মহারাজের বাড়িতে মুখ্যমন্ত্রীর যাওয়াকে তৃণমূলের অন্দরে অনেকেই আবার মনে করছেন মহারাজ কে রাজ্যসভার সাংসদ হওয়ার হয়তো আমন্ত্রণ দিয়ে এসেছেন দিদি। উল্লেখ্য রাজ্যসভায় বর্তমানে তৃণমূলের দুটি আসন ফাঁকা রয়েছে একটি মানস ভুঁইয়ার আরেকটি দীনেশ ত্রিবেদীর।

সেই দুটি আসনে তৃণমূল নিজেদের লোককে দিল্লি পাঠাতে তৎপর। তবে যদি সৌরভকে রাজ্যসভার সংসদ করে তৃণমূল দিল্লিতে পাঠায় ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচনে অনেকটাই অ্যাডভান্টেজ পেয়ে যাবে শাসকদল। তবে তৃণমূলের একাংশের মতে মমতার সাথে সৌরভের শুধুমাত্রই সৌজন্য সাক্ষাৎ, এর সাথে রাজনীতির কোন যোগ নেই।