করোনা কী আসলে চীনের ল্যাবে তৈরি জৈবিক অস্ত্র? প্রকাশ্যে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য…

করোনা ভাইরাসের উৎস স্থল যে চীন সেটা আমরা সবাই এত দিনে জেনে গেছি। চীন থেকেই সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে করোনা ভাইরাস। সারাবিশ্বে প্রায় 7 লাখ হাজার মানুষ এই ভাইরাসে আক্রান্ত। এই সমস্ত কিছুর পরেও এমন একটি তথ্য প্রকাশ পেয়েছে যা শুনলে গোটা বিশ্ব চমকে যাবে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চীনের এক সামরিক গোয়েন্দা আধিকারিক এমনই এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছে। তিনি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কারণ বাইরে তার নাম প্রকাশ হলে প্রাণ সংশয় হতে পারে। তিনি চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য।

তিনি যে তথ্যটি লিখেছেন তাতে চীন যে ভালো মানুষের মুখোশ পরে ছিল তা খুলে গেছে। তিনি জানান হংকং-এ ক্রমাগত যে বিক্ষোভ চলছিল তাকে সামাল দেওয়ার জন্য চীন একটি পরিকল্পনা করেছিল। এর জন্যই 31 ধরনের জৈবিক অস্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করছিল। এটি হেলিকপ্টার থেকে নীচে ফেলা হলে যার যার গায়ে এটি পড়বে তাদের ব্যবহারে পরিবর্তন চলে আসবে। ওই কর্মকর্তা জানান চীনের এই প্রজেক্টে তিনিও সামিল ছিলেন।

কিন্তু চীনের এই প্রজেক্ট মাঝপথেই থেমে যায়। এক কথায় বলতে গেলে চীন প্রজেক্ট কে মাঝপথে থামাতে বাধ্য হয়। কারণ হংকংয়ের বিক্ষোভের দিকে নজর পড়ে গিয়েছিল সারা বিশ্বের। আর ঠিক এই অবস্থায় যদি ওই জৈবিক অস্ত্র প্রয়োগ করা হতো, তাহলে চীনের জন্য খুবই বিপদজনক হয়ে দাঁড়াতে এই ঘটনা। কিন্তু চীন এই জৈবিক অস্ত্রটিকে প্রয়োগ করার জন্য মরিয়া হয়। এবং এই জৈবিক অস্ত্র প্রয়োগ করার জন্য চীন বেছে নেয় ইসলামিক মৌলবাদীদের।

জিনজিয়াং এর একটি প্রশিক্ষণ শিবিরে এই জৈবিক অস্ত্র প্রয়োগ করা হয়। এবং এরপর যা হয় তা শুনলে আপনি চমকে উঠবেন। ওই কর্মকর্তা জানান, যাদের উপর এই পরীক্ষাটি করা হয় তাদের গা গলতে শুরু করে ধীরে ধীরে। চীনের এই সমস্ত কাজকর্ম কোন ভাবে জানতে পেরে যায় আমেরিকা। শুধু তাই নয় এই জৈবিক অস্ত্রটি ঠিক কোন ল্যাবে বানানো হয়েছিল সে সম্পর্ক খবর পেয়ে যায় আমেরিকা। এরপর আমেরিকা চেষ্টা করে ওই জৈবিক অস্ত্রটি কীভাবে বানানো হয়েছে তা জানার।

আর এটি জানার জন্য আমেরিকা সেখানকার এক গবেষক কে খুঁজে বার করে। এরপর তাকে মোটা অঙ্কের বিনিময়ে ওই জৈবিক অস্ত্রটির নমুনা দিতে বলে। এবং ওই গবেষক তাতে রাজি হয়ে যায়। চীন ও কিন্তু এই পুরো বিষয়টি কোন ভাবে জেনে যায় যে এই জৈবিক অস্ত্রটি নমুনা আমেরিকা জানতে পেরে গেছে। এরপর ওই গবেষক এর উপর নজর রাখা শুরু করে চীন। এরপর যখন আমেরিকা CIA এজেন্টের সঙ্গে গবেষকের কথা হয় তখন ওই এলাকায় একটি শুট আউট হয়। তখন ওখানে বহু মানুষ মারা যায় কিন্তু আমেরিকার এজেন্ট কোন ভাবে পালিয়ে যায়।

এরপর এই পুরো বিষয়টি একটি প্রবন্ধ আকারে জানিয়েছেন ওই চীনা আধিকারিক। এবং শুটআউটে সময়ই একটি ভাইরাস ভর্তি সিসি ভেঙ্গে গিয়ে বাতাসে মিশে যায়। চীনের উহানেই প্রথম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়। এবং এক মাসের মধ্যে ওই প্রদেশের বহু মানুষ মারা যায়। এরপর চীন এই ভুলকে সংশোধন করার চেষ্টা করে। কিন্তু ধীরে ধীরে পরিস্থিতি যখন হাতের বাইরে চলে যায় তখন এই খবরটি আর লুকিয়ে রাখতে পারেনা চীন। তখন চীন বলতে থাকে এটি একটি সামান্য ফ্লু। আবার অনেকের বলছিলেন যে এই ভাইরাস বাদুড় এর থেকে ছড়াচ্ছে। তারপরই ভাইরাস আস্তে আস্তে গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। এই চীনা আধিকারিক লিখেছেন, আজকে মহামারীতে ভুগছে সারাবিশ্ব তার উৎস স্থল ওই চীনের ল্যাব। যার ফলে সাধারণ মানুষকে কষ্ট পেতে হচ্ছে।

Related Articles

Close