আমেরিকার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা ইরানের, মসজিদের মাথায় উড়ানো হল লাল ঝান্ডা..

গোটা ইরান জুড়ে এখন একটাই শ্লোগান চলছে প্রতিশোধ চাই। একথা এর আগেও হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রৌহানি। এমন কী সেখানকার মানুষ মার্কিন হামলায় নিহত জেনারেল কাসেম সেলামানির জয়গান গেয়েছেন। অন্যদিকে মার্কিন পতাকা পুড়িয়ে প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে। অন্যদিকে এর বিরুদ্ধে পাল্টা প্রত্যাঘাত হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে আমেরিকার তরফ থেকেও। যদিও রৌহানি বলেছিলেন, এই হত্যার জন্য আমেরিকাকে বড় মূল্য চোকাতে হবে। কিন্তু ট্রাম্পের দেশ প্রথমে সেই হুমকিতে কান দেয়নি।

তবে এখন অবস্থা ক্রমশ উত্তেজনার পরিস্থিতিতে পৌঁছে গেছে যে কোন মুহূর্তে আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে বেঁধে যেতে পারে ভয়ংকর যুদ্ধ।এটা এখন এমন একটা সময় যখন গোটা বিশ্বযুদ্ধের প্রহর গুনছে আর সেই সময় দেখা গেল আবারও এক ঘটনা যেখানে ইরানের মসজিদের চূড়াতে যুদ্ধের লাল ঝান্ডা উড়িয়ে দিয়ে হল ইরানের তরফ থেকে। এমনকি যুদ্ধের জন্য আমরা প্রস্তুত তাই লাল ঝান্ডা উড়িয়ে আমেরিকাকে বার্তা পৌঁছালো তেহরান।

তবে সাধারণত অন্য সময় জামকরন মসজিদের মাথায় দেখা যায় ধর্মীয় পতাকা । তবে এই মুহূর্তে ইরানের জামকরন মসজিদের মাথায় উড়তে দেখা গিয়েছে লাল ঝাণ্ডা। এর মূলত অর্থ দুটি হতে পারে এক দেশের জনগণকে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হতে বলা। আর দ্বিতীয় টি হতে পারে ইতিমধ্যেই যুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেছে। তবে এর আগে যখন ইরান ও ইরাকের মধ্যে যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে তৈরি হয়েছিল। তখনও এই মসজিদের চূড়ায় লাল ঝাণ্ডা উড়তে দেখা গিয়েছিল।

তবে যেমনটা আমরা জানি লাল রং রক্ত ও ত্যাগের প্রতীক সেহেতু এখন স্বাভাবিক ভাবেই এটা অনুমান করা যাচ্ছে যে সোলেমানের মৃত্যুর বদলা নেওয়ার জন্য ইরান এই পতাকা মসজিদের মাথায় উড়িয়েছে।
ইরানের এইভাবে মসজিদের মাথায় পতকা উড়ানোর পর থেকেই এই ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক চর্চায় চলে আসে,এই রকম এক পরিস্থিতিতে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কা ছড়িয়ে পড়েছে অনেকের মাঝেই। সোশ্যাল মিডিয়াতে একের পর এক পোস্টে সাধারণ মানুষও এই আশঙ্কা করছেন।

লাখ লাখ মানুষ এখন সোশ্যাল মিডিয়াতে হ্যাশট্যাগ দিয়ে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কা প্রকাশ করছেন। এরই মাঝে সোলেমানি হত্যায় ক্ষুব্ধ ইরানের জেনারেল গোলাম আলি আবু হামজাহ হরমুজ প্রণালীতে গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন ঘাঁটিগুলিতে হামলার হুঁশিয়ারি ও দিয়েছেন। তার বাহিনী ডেস্ট্রয়ার ও যুদ্ধজাহাজসহ পারস্য উপসাগর ও ইজরায়েলের নিকটবর্তী প্রায় 35 টি মার্কিন ঘাঁটির দিকে তাক করে আছে বলে জানান তিনি।

Related Articles

Back to top button