দু’মাস আগেও বিক্রি করতেন ফুচকা! তবে আইপিএলের সোনার কাঠি বদলে দিল জীবন

2020 আইপিএল টিমের জন্য সকলেই দল গুছিয়ে ফেলেছে ইতিমধ্যেই। তবে এই বারের আইপিএল নিলামে সকলেরই স্পটলাইট ছিল কলকাতা, চেন্নাই, মুম্বাই টিমের প্লেয়ারের উপর‌। আর এবারের নিলামে বেশকিছু প্লেয়ারের দাম উঠানামা হয়েছে যাদের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার দুর্দান্ত পেসারকে দলে নিয়েছে KKR এর ম্যানেজমেন্ট যা আবার আইপিএলে ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি দাম দিয়ে। কলকাতার ম্যানেজমেন্ট এইবার সাড়ে 15 কোটি টাকায় অস্ট্রেলিয়ার প্রেসার বলার প্যাট কামিন্সকে দলে নিয়েছে।

তবে আজকে আমাদের আলোচ্য বিষয়টি যাকে নিয়ে থাকতে চলেছে তার নাম যশস্বী জসওয়াল। যিনি সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মনি তবে এবার তাকে সোনার কাঠি ছুঁয়েছে বললেই চলে কারণ এবার তার জীবন বদলে যেতে চলেছে। তাঁর বাবা পেশায় একজন ফুচকা বিক্রেতা। বাবার ফুচকার ঠেলা নিয়ে তিনিও মাঠে মধ্যে প্রায়াই ব্যবসা চালান। এমনকী মাস দুয়েক আগে পর্যন্ত ফুচকা বিক্রি করেছেন তিনি। কিন্তু আইপিএল নিলামের দিন ভাগ্যের চাকা ঘুরে গেল তার। IPL এর সোনার কাঠি তাঁকে এবার কোটিপতি বানিয়ে দিল।

এই যশস্বী জসওয়াল যিনি মুম্বাইয়ে বসবাসকারী একজন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান তাকেই এবার 2 কোটি 40 লক্ষ টাকায় আইপিএলের দলে কিনে নিয়েছে রাজস্থান। যেখানে তার কুড়ি লক্ষ টাকা বেস্ট প্রাইস ছিল,সেখানে তার দাম উঠেছে প্রায় আড়াই কোটি টাকা পুরো এই ব্যাপারটা যেন স্বপ্নের মত মনে হচ্ছে তার কাছে। তবে আপনাদের আরো বলে রাখি মাস দুয়েক আগে এই যশস্বী জসওয়ালই ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে বিজয় হাজারে ট্রফিতে কনিষ্ঠতম ব্যাটসম্যান হিসাবে ক্রিকেট লিস্টে ডাবল সেঞ্চুরির মালিক হয়েছিলেন তিনি।

আর তারপর থেকে উঠে আসে তার নাম আলোচনা কেন্দ্রে। আর বছর দুয়েক আগে তার পরিবার আর্থিক টানাটানি জন্য উত্তর প্রদেশ থেকে মুম্বাই চলে আসেন।তার পর রামলীলার সময় ফুচকা বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করতেন। তবে যেমনটা আমরা জানি এই বছর রাজস্থানের হয়ে খেলছেন না আজিঙ্কা রাহানে ফলে জস বাটলারের সঙ্গে যশস্বীকে ওপেনিং পার্টনার হিসাবে লক্ষ্য করা যেতে পারে।তবে এই বিষয়ে অবাক হবার মত কিছু থাকবে না কারণ যশস্বী অনূর্ধ্ব-19 ভারতীয় দলের হয়ে 4 টি হাফ সেঞ্চুরিও করেছেন। শুধু তাই নয় এর পর বিজয় হাজারে ট্রফিতে ঝাড়খন্ডের বিরুদ্ধে 154 বলে একটি দুর্দান্ত ইনিংস খেলে 203 রান করেন তিনি।