আরো ভয়ঙ্কর! করোনার নতুন প্রকোপের জেরে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে স্থগিতাদেশ

গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন করোনাভাইরাস এর প্রকোপের কথা ঘোষণা করে জানান, ৭০ শতাংশ বেশি সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে৷ জনস্বাস্থ্য ইংল্যান্ড (পিএইচই) ঘোষণা করেছে যে , “মূলত ইংল্যান্ডের দক্ষিণ এবং পূর্ব অঞ্চলে” এই সংক্রমণ ছড়িয়েছে৷ তাই আপাতত ২৩-৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বিমান চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত । যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণের বিষয়েও জারি করা হয়েছে নিষেধাজ্ঞা।৩১ ডিসেম্বর রাত প্রায় ১২ টা পর্যন্ত যুক্তরাজ্য থেকে কোনও বিমান ভারতে প্রবেশ করতে পারবে না।

 

 

অন্যদিকে ভারত থেকেও কোনও বিমান যুক্তরাজ্যে যাবে না। এ বিষয়ে কেন্দ্রের কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়েছে বিমান পরিষেবা মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার রাত ১১টা ৫০ মিনিট থেকে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হচ্ছে। তার আগে যুক্তরাজ্য থেকে ভারতে পৌঁছানো যাত্রীদের বিমানবন্দরে বাধ্যতামূলকভাবে RTPCR পরীক্ষা করতে হবে।

 

 

প্রাথমিক বিশ্লেষণ, এটি আগের থেকেও আরও বেশি সংক্রামক৷ মানব কোষের একটি মূল প্রোটিন, ACE2 রিসেপটরকে আবদ্ধ করে এমন স্পাইক প্রোটিনের এমন একটি অঞ্চলে, এই “রূপান্তরকারীগুলির মধ্যে একটি” N501Y “হিসাবে চিহ্নিত করেছিল। সাময়িকভাবে বিমান চলাচল বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম, ইতালিসহ ইউরোপের একাধিক দেশ। করোনাভাইরাসের নতুন ধরনটি কেবল যুক্তরাজ্যেই নয় আরও কয়েকটি দেশেও দেখা গেছে।

 

এ মাসের শুরুতে নেদারল্যান্ডস, এবং অস্ট্রেলিয়াও সোমবার করোনাভাইরাসের অতি-সংক্রামক নতুন ধরনের প্রাদুর্ভাবের কথা জানিয়েছে। ইতালিতেও করোনাভাইরাসের একইরকম নতুন ধরন দেখা গেছে বলে শোনা যাচ্ছে।

 

মাসিক পেনশন ৫০০০ টাকা, ১৮ থেকে ৪০ বছরের যে কোন ভারতীয় করতে পারবেন আবেদন

তবে, এটিও জোর দিয়েছিল যে এর কোনও প্রমাণ নেই যে এটা গুরুতর রোগ বা মৃত্যুর কারণ হতে পারে। নতুন করে বিরটেনে করোনা ভাইরাস দ্রুত ছড়াচ্ছে এবং সংক্রমণ বাড়ছে৷ আর তার জেরেই আন্তর্জাতিক বিমান এক সপ্তাহের জন্য বন্ধ করে দিল সৌদি আরব। সোমবার সৌদির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে তরফে বলা হয়, বিদেশি যেসব বিমান সংস্থা বর্তমানে সৌদি আরবে অবস্থান করছে তারা তাদের নিজ দেশের উদ্দেশ্য রওনা দিতে পারে।

 

 

যেসব দেশে নতুন সংক্রমণ শুরু হয়েছে সেখান থেকে সৌদি আরবে যারা এসেছেন, তাদেরকে ১৫ দিনের জন্য হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে এবং প্রতি ৫ দিন অন্তর অন্তর কোভিড-১৯ টেস্ট করাতে হবে।যেসমস্ত দেশে নতুন করে কোভিড সংক্রমণ শুরু হয়নি – সেসকল দেশ থেকে পণ্য আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম এই নির্দেশনার আওতামুক্ত থাকবে বলে ঘোষণায় বলা হয়।