পেট্রোল- ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি থেকে সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে অভিনব উদ্যোগ কেন্দ্রের, এবার থেকে

পেট্রোল-ডিজেলের দাম প্রতিদিনই বেড়েই চলেছে এর ফলে রীতিমতো নাজেহাল পরিস্থিতি আমজনতার। বেশিরভাগ রাজ্যেই পেট্রোল এখন ১০০ টাকা পার হয়ে গেছে অন্যদিকে ডিজেল ১০০ টাকা ছুঁইছুঁই। যার প্রভাব পড়ছে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য থেকে সর্বত্র। এবার এই সংকটময় পরিস্থিতি থেকে মুক্তির জন্য অভিনব উদ্যোগ নিল কেন্দ্রীয় সরকার। মোদি সরকার প্রথম থেকেই অপ্রচলিত ও পুননবীকরণযোগ্য শক্তির দিকে নজর রেখে চলেছে। যার জেরে বর্তমানে পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির ব্যবহার গত ৭ বছরে বেড়েছে ২৫০ শতাংশ।

শুধু তাই নয় পরিবর্তন সূচকে বিশ্বের ১০ টি দেশের মধ্যে রয়েছে ভারতের নাম। অন্যদিকে পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির ব্যবহার কয়েক বছরের মধ্যেই ভারত প্রথম ৫ দেশের মধ্যে ঢুকে পড়েছে। এবার এই পেট্রোল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির সুরাহা করতে বড় পদক্ষেপ নিল নরেন্দ্র মোদি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযুষ গোয়াল জানিয়েছেন পেট্রোলের দাম বৃদ্ধি আয়ত্তে আনার জন্য আরো বেশি সংখ্যক ইথানলের ব্যবহার করতে চলেছে কেন্দ্র।

এখন ভারতে এক লিটার পেট্রোলে ৮.১শতাংশ ইথানল মেশানো হয়।২০২৩-২০২৪ অর্থ বর্ষের মধ্যে এটিকে বাড়িয়ে ২০ শতাংশ করার পরিকল্পনা নিয়েছে কেন্দ্র। আগে যদিও ২০৩০ সাল অব্দি সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল ইথানলের আরও বেশি বৃদ্ধি প্রসঙ্গে। তবে পেট্রোলের মূল্যবৃদ্ধির জেরে সেই সময়সীমা অনেকটাই কমিয়ে আনা হল। এর সাথেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন পুনর্নবীকরণ শক্তির দিকে আমজনতার নজর দেওয়ার প্রয়োজন। আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত ভারতকে পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির স্বাবলম্বী করে তোলা।

ভবিষ্যতে এমন প্রযুক্তি বিকাশ করা হবে যে ১০০ শতাংশ ইথানল এর মাধ্যমে গাড়ি চালানো যায়।এছাড়াও তিনি ব্যাটারি চালিত গাড়ি গুলি রিচার্জ করার জন্য সৌরশক্তি ব্যবহারের কথা উল্লেখ করেন। পাশাপাশি আগামী দিনে চার্জিং স্টেশনে সংখ্যাও অনেকটাই বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। তার মতে পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি ব্যবহারে লক্ষ্যমাত্রা হিসাবে ২০২২ সালে ১৭৫ গিগাবাইট এবং ২০৩০ সাল অব্দি ৪৫০ গিগাবাইট স্থির করা হয়েছে। এর ফলে আগামী দিনে গোটা বিশ্বের কাছে ভারত পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তির ক্ষেত্রে দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে।