চীনকে কড়া জবাব ভারতের, কাশ্মীর ইস্যুতে বেজিংকে তাদের অবস্থান বুঝিয়ে দিল দিল্লি…

কাশ্মীর যে পুরোপুরি ভারতের অংশ এবং ভারত সেটা কোন মতেই হাতছাড়া করবে না তা পাকিস্তানকে স্পষ্ট ভাবে বুঝিয়ে দিয়েছে এর আগে। আর এবার চীন কাশ্মীর নিয়ে মুখ খুলতে না খুলতেই কড়াভাবে জবাব দিল ভারত। কাশ্মীর নিয়ে কথা বললে পাল্টা জবাব কেমন ভাবে দিতে হয় তা ভারত ভালভাবেই জানে। বর্তমানে ভারত এবং চীনের সম্পর্ক যেন সাপে-নেউলে। কাশ্মীর প্রসঙ্গ আসতেই দিল্লি তরফ থেকে সব জানিয়ে দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু এবং কাশ্মীর পুরোপুরি ভারতের অংশ।

আর এই বিষয়টি পুরো পুরি ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় এ নিয়ে যা কিছু হবে তার প্রভাব বৈদেশিক সীমান্তে পড়বে না। এ বিষয়ে বিদেশ মন্ত্রকের তরফ থেকে বার্তা দিয়ে দেওয়া হয়েছে, ভারতের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে যে, কাশ্মীর  নিয়ে চীনের বিদেশমন্ত্রক কি জানিয়েছে সে বিষয়ে আমরা জানি। এছাড়া ভারতে বিদেশ মন্ত্রকের তরফ থেকে আরও জানানো হয়েছে যে, জম্মু এবং কাশ্মীর সম্পূর্ণ ভারতের নিজস্ব এলাকা তাই এলাকা নিয়ে যা কিছু ঘটবে তা ভারত সামলাবে অন্য কোনো দেশের মন্তব্য গ্রাহ্য করা হবে না এক্ষেত্রে।


আমরা সবাই জানি লাদাখ সীমান্তকে চীন দখল করতে চেয়েছিল তাই চীনের সেনারা ভারতীয় সেনাদের ওপর হামলা চালায় লাদাখ সীমান্তে। লাদাখের পর চীনের নজর পড়েছে কাশ্মীরে। এক বছর হয়ে গেল কেন্দ্রীয় সরকার 370 ধারা তুলে দিয়েছিল কাশ্মীর থেকে। কিন্তু চীনের দাবি ভারত সরকার কাশ্মীর থেকে 370 ধারা তুলে দিয়ে বেআইনি কাজ করেছে। এ বিষয়ে চীনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন বলেছেন যে, কাশ্মীরের পরিস্থিতির উপর চীন কড়া নজর রাখছে। চীনের এইসব মন্তব্যের পরে স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে যে চীনের নজর এবার কাশ্মীরের দিকে রয়েছে।

সম্প্রতি গতবছর অর্থাৎ 2019 সালে দ্বিতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসেন মোদী সরকার। আর দ্বিতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় আসার পরেই তার প্রথম কাজ ছিল কাশ্মীর থেকে 370 ধারা তুলে দেওয়া। 370 ধারা তুলে দিয়ে কাশ্মীর এবং লাদাখ দুটোকে আলাদা আলাদা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করা। আর গত বছর আগস্ট মাসের 5 তারিখে কাশ্মীর থেকে 370 ধারা তুলে দিয়ে কাশ্মীর এবং লাদাখ কে দুটি আলাদা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল বলে ঘোষণা করে মোদী সরকার।