রিনিউবেল এনার্জিতে বড়োসড়ো সাফল্য ভারতের, মাত্র দু’বছরে সপ্তম স্থান থেকে উঠে এল তৃতীয় নম্বর স্থানে ভারতের নাম

বর্তমান করোনাকালীন পরিস্থিতিকে টেক্কা দিয়ে আরো একবার বিশ্বকে নেতৃত্ব দেবার জন্য ভারতের উত্থান দেখা গেল। আর্থিকভাবে অথবা সামাজিক ভাবে যে কোনো ক্ষেত্রেই ভারতবর্ষ নিজের স্বাতন্ত্র্যতা বজায় রেখেছে । বরাবরই বিশ্বজুড়ে যখনই কোনো সমস্যা হয়েছে সমাধানের জন্য ভারতকে এগিয়ে আসতে দেখা গেছে বহুবার। যেকোনো সন্ত্রাস দমন মূলক পরিস্থিতি হোক কিংবা অর্থনৈতিক-সামাজিক প্রাকৃতিক বিপর্যয় হোক ভারত কখনো পিছু হটে নেই । বর্তমান অতিমারির বিপর্যয়ের সময় ভারত সময়ের সাথে পাঞ্জা দিয়ে লোড়ে গেছে। করোনা কালীন পরিস্থিতিতে অর্থনৈতিকভাবে সমগ্র দেশ যেরকম বিপর্যস্ত হয়েছে তাতে শক্ত হাতে মোকাবেলা করেছে দেশের পরিকাঠামো যাতে সার্বিক শৃঙ্খলা বজায় থাকে। সুতরাং বারবারই ভারত নিজের কর্মধারা এবং চিন্তাধারার মাধ্যমে সফলতা এনেছে। সুতরাং ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায় ভারতের সফলতা রেকর্ড খুব একটা খারাপ নয়। বরাবরই নিজের নিজেস্বতাকে অক্ষুন্ন রেখেছে ভারতবর্ষ। বর্তমানে ভারত একটি বড় ক্ষেত্রে তাবড় তাবড় দেশকে পিছনে ফেলে বিশ্বের তৃতীয় স্থান দখল করেছে। ভারত যেখানে সপ্তম স্থানে ছিল এই দু’বছরের মধ্যেই নিজেকে উন্নত করে তৃতীয় স্থান দখল করেছে ভারতবর্ষ । সম্প্রতি রিনিউবেল এনার্জি ক্ষেত্রে ভারতবর্ষ এই সফলতা অর্জন করেছে। এর আগে ২০১৯ সালে অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি ,ফ্রান্স ইতালি দেশের থেকে অনেকটাই পিছনে ছিল ভারত। ২০২১ ভারত ইউনাইটেড কিংডম জার্মানি অস্ট্রেলিয়াকে পিছনে ফেলেছে। রিনিউয়েবল এনার্জি ক্ষেত্রে ভারতের এই রংর্কিং বিশ্বজুড়ে নজর কেড়েছে।

কার্বন এমিশন কম করার ক্ষেত্রে ভারতে সমস্ত দেশ গুলির থেকে অনেকটাই ভালো কাজ করেছে বলে দাবি বিশেষজ্ঞদের। আর এই কারনেই ভারত তৃতীয় স্থান অধিকার করতে পেরেছে। এর আগে ভারত সোলার এনার্জি ব্যবহারের ক্ষেত্রে যথেষ্ট প্রশংসা কুড়িয়েছে ।যার ফলে অনেকটাই পলিউশন কমেছে দেশে। বিশেষজ্ঞদের দাবি ভারতে যে পরিমাণের সোলার এনার্জি কে ব্যবহার করার প্রবণতা বাড়ছে এবং সফলতা আসে তাতে ২০৪০ এর মধ্যে ভারত কয়লার ওপর বিদ্যুৎ তৈরি নির্ভরতা অনেকটা কমে যাবে।

ফলে প্রাকৃতিক মূলধনের সঞ্চয় বাড়বে যা সরাসরি প্রকৃতির উপর প্রভাব ফেলবে। ফলে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার অনেকটাই কমে যাবে । এছাড়াও কয়লার থেকে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় সোলার এনার্জি থেকে তার থেকে বেশি পরিমাণে বিদ্যুৎ উৎপাদন হতে পারে বলে দাবি বিশেষজ্ঞদের। “মেক ইন ইন্ডিয়া” প্রকল্পের আওতায় পড়ছে।

বর্তমানে আমেরিকায় এবং চীন ভারতের আগে রয়েছে ।আমেরিকা চীনের সাফল্যের কারণ হলো ভারত যে প্রযুক্তির বর্তমানে ব্যবহার করছে তার অনেক বছর আগে থেকেই এই দেশগুলি ক্ষেত্রগুলি নিয়ে কাজ করা শুরু করে দিয়েছিল।মাত্র ২ বছরের মধ্যে ভারত যে এতগুলি উন্নত দেশকে পিছিয়ে গেলে এতটা এগিয়ে আসতে পেরেছে তা যথেষ্ট প্রশংসা । ভারত যেভাবে সাফল্যের দিকে এগুচ্ছে ভবিষ্যতে আমেরিকা ও চীনকে যে পিছনে ফেলে এগিয়ে যাবে না তাতেও কোনো আশ্চর্যের নেই।