পাক সেনা ঘিরে ধরতেই গোপন নথি-কাগজ গিলে ফেলতে যান অভিনন্দন! দেখে নিন সেই মুহূর্তে ঠিক কী ঘটেছিল…

পাকিস্তানি বিমানকে তাড়া করতে গিয়ে মিগ 21 নিয়ে পাক সীমানায় চলে যান উইং কমান্ডার। পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান ধ্বংস করে প্যারাসুট নিয়ে অভিনন্দন পাকিস্তানের দখলে থাকে একটি ছোট জলাশয়ে পরেন। তিনি পাকিস্তানের দখলে থাকা কাশ্মীরে গিয়ে ল্যান্ড করেন। সেখানে পৌঁছে তিনি বুঝতে পারেন যে, তিনি এখন পিওকে তে আছেন। মুহূর্তে তাঁকে ঘিরে ফেলে পাক সেনা। ঘিরে ধরে স্থানীয় বাসিন্দারা। চলে মারধর। ততক্ষণে রক্তাক্ত অবস্থা উইং কামান্ডার। সেনা অফিসারদের যেভাবে নির্দেশ দেওয়া থাকে, সেই নির্দেশই পালন করছিলেন উইং কামান্ডার অভিনন্দন। যখনই তিনি বুঝতে পারেন যে তিনি পাক ভূখণ্ডে প্রবেশ করেছেন, আর চারিদিক থেকে তাঁকে পাকিস্তান সেনা ঘিরে ধরতে আসছে।

 

সেই মুহূর্তে ভারতীয় সেনার গুরুত্বপূর্ণ নথি অভিনন্দন আরেকটি ছোট জলাশয়ে কিছু কাগজ পত্র আর নকশা ডুবিয়ে নষ্ট করে দেন। আর কিছু কাগজ উনি মুখে দিয়ে গিলেও নেন, যাতে পাকিস্তানিরা ভারতের রণনীতি না জানতে পারে। যে মুহূর্তে পাকিস্তানের মাটিতে অভিনন্দন অবতরণ করেন, প্রথমেই তাঁকে দেখতে পেয়ে এগিয়ে আসেন স্থানীয়রা। ততক্ষণে উইকমান্ডারের হাতে পিস্তল! প্রশ্ন করেন ‘এটা ভারত , নাকি পাকিস্তান?’ স্থানীয়দের অনেকে তাঁকে বিভ্রান্ত করতে জানিয়েছিলেন, ‘এটা ভারত’। সেই সময়েই একটি ছোট বাচ্চা জানিয়ে ফেলে যে এটা পাকিস্তানের কুইলান। তখন তিনি জানান, তাঁর পিঠের হাড় সম্ভবত ভেঙে গিয়েছে, তিনি তৃষ্ণার্ত। বলেন ‘একটু জল চাই’। যখন গ্রামবাসীরা অভিনন্দন কে লক্ষ্য করে পাথর ছুঁড়তে থাকে। তখন অভিনন্দন তাঁর পিস্তল বার করে হাওয়ায় গুলি চালায়।

এরপরই তিনি দৌড়তে দৌড়তে একটি পুকুরে গিয়ে পড়েন । সেখানে গিলে ফেলতে শুরু করেন যাবতীয় নথি। জলের মধ্যে মুহূর্তে ভাসিয়ে দেন তাঁর কাছে থাকা ম্যাপ। এদিকে, ততক্ষণে পৌঁছে যায় স্থানীয় জনতা ও সেনা। গুলি করা হয় উইং কমান্ডারের পায়ে। এমনই তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ডন।’