সন্ত্রাসে মদত বন্ধ না-করলে, উত্সবে যোগ দিতে আসা পাকিস্তানিদের ভিসা দেবে না ভারতীয় বিদেশমন্ত্রক।

ভারতের কাশ্মীরে পুলওয়ামায় তে জঙ্গি হামলার পর থেকেই ভারত পাকিস্থানের মধ্যে সম্পর্কে অনেকটাই বিচ্ছেদ এসেছে। এরপর ভারতীয় বায়ুসেনা বাহিনী পাল্টা জবাবে ধ্বংস করে দেওয়া হয় পাকিস্তানের একাধিক জঙ্গী ঘাটী। আর তার পর থেকেই ভারত পাকিস্তানের মধ্যে পরিস্থিতি আরো উত্তপ্ত হয়ে পড়ে এমন কী দুই দেশের মধ্যে পরিস্থিতি এখন যুদ্ধের মতো হয়ে পড়েছে। ভারত সরকার ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে যত দিন না পুলওয়ামায় অভিযুক্ত জঙ্গিরা সাজা পাচ্ছে ততদিন পর্যন্ত ভারত পাকিস্তানের সাথে কোনো প্রকার আলোচনায় বসবে না। আর এই অবস্থায় ভারত- পাকিস্তানের মধ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রভাব পড়তে চলেছে আজমেঢ় শরিফ দরগার উর্স উত্সবে।

 

সূত্রের অনুসারে জানতে পারা গেছে, উত্সবে যোগ দিতে আসা পাকিস্তানিদের ভিসা দেবে না বলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে ভারতীয় বিদেশমন্ত্রক। পাক অধিকৃত কাশ্মীরে জঙ্গিঘাঁটিতে ভারতীয় বিমানহানা ও তার পর পাকিস্তানের পালটা হামলার চেষ্টায় সরগরম হয়েছে দু’দেশের সম্পর্ক। এর জাঁতাকলে পড়ে আজমেঢ়ের উর্সে সামিল হওয়া হল না পাকিস্তানিদের। আপনাদের সুবিধার্থে বলে দি, প্রতি বছর আজমেঢ় শরিফের উর্স উত্সবে সামিল হন কমবেশি 500 জনের ও বেশী পাকিস্তানি নাগরিক। সম্প্রীতির বার্তা নিয়ে পাকিস্তান থেকে ভারতে আসেন তাঁরা। তবে এবারের পরিস্থিতি অনুযায়ী বিবেচনা করে পাকিস্তানিদের ভিসা না-দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত সরকার। ফলে হজরত খোয়াজা গরিব নমাজের দরগায় উর্সে হাজির হতে পারবেন না এবার পাকিস্তানি নাগরিকরা। আজমেঢ় দরগার দেওয়ান সৈয়দ জৈনুল আবেদিন আলি জানিয়েছেন, চলতি বছর পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে পাক পুন্যার্থীদের আসতে বারণ করেছি।

 

ভারত সরকারকে ও এদের ভিসা না-দিতে অনুরোধ করা হয়েছে। দরগা তরফে স্পষ্ট করা হয়েছে, পাকিস্তান সন্ত্রাসে মদত দেওয়া বন্ধ না-করলে দু’দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়া সম্ভব নয়। তাই নেওয়া হয়ছে এই পদক্ষেপটি।