কাশ্মীর নিয়ে মন্তব্য করায় চীনকে কড়া ভাষায় জবাব দিল ভারত..

এবার আন্তর্জাতিক মহলে চীনের করা মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিল ভারত। চীন পাকিস্তানের সাথে সাথ মিলিয়ে ভারতের কাশ্মীর লাদাখ নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলতে শুরু করে। যেমন কি আমরা জানি চীন পাকিস্তান মিলে যে ভারতকে ঘেরার প্রয়াস করেছিল সেটা এখন বিফল করতে সক্ষম হয়ে গেছে ভারতের কূটনীতিবিদরা। শুধু তাই নয় এখন ভারত সরাসরি চীনের CPEC প্রযুক্তি নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে আন্তর্জাতিক মহলে। আর শনিবার দিন ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চীনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ইয়ের ভাষণের যথাযথভাবে উপযুক্ত জবাব দিয়েছে।

জম্মু কাশ্মীর লাদাখ সম্পর্কে চীনের বিদেশমন্ত্রীর যে মন্তব্য করেছিল তার কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে এবার ভারত সরকার।জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে কাশ্মীরের এই বিষয়টি উত্থাপন করেছে চীন, চীনের তরফ থেকে বলা হয়েছে জাতিসংঘের সনদ সুরক্ষা কাউন্সিলে প্রস্তাবসমূহ এবং দ্বিপক্ষীয় চুক্তির বিরোধটি শান্তিপূর্ণভাবে এবং যথাযথভাবে সমাধান করা উচিত। পাকিস্তানের চিরবন্ধু চীন এই দিন আরো বলে এইভাবে একতরফা কোন পদক্ষেপ নেওয়ার ফলে কোনো পরিবর্তন আসবে না।

তারপর এই বিষয় নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রকের মুখপাত্র রবিশ কুমার বলেছেন যে, কাশ্মীর ও লাদাখ হলো ভারতের একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ।উনি আরো বলেন যে এই অঞ্চলের সাথে সাম্প্রতিক ঘটনাবলী দেশের জন্য সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ বিষয়। এদিন তিনি আরো বলেন যে,আমরা আশা করি যে অন্যান্য দেশ গুলি ভারতের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাবে এবং তথাকথিত চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোরের মাধ্যমে পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরের স্থিতিবস্থার পরিবর্তন করার প্রচেষ্টা কে এড়িয়ে চলবে।

তার সাথেই তিনি বলেন অন্যান্য দেশগুলিও এই বিষয় নিয়ে ভারতের সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রতি শ্রদ্ধা জানাবে। জানিয়ে দি, পাকিস্তানে চীনের CPEC প্রজেক্ট এখন বন্ধের মুখে। আর এই নিয়ে পাকিস্তানের সরকার একেবারে চুপচাপ হয়ে পড়েছে কারণ এই প্রজেক্ট করার জন্য চীন সরকার যে ইনভেস্টমেন্ট করেছে সেটা মূলত লোন হিসাবে। আর এই প্রোজেক্ট থেকে লাভ তুলবে চীন কিন্তু তার খরচ বহন করবে পাকিস্তান। তাই এই চুক্তি অনুযায়ী এখন চলতে রাজি নয় পাকিস্তানের সরকার। আরো আপনাদের জানিয়ে দি পাকিস্তানের স্টেট ব্যাংকের মাত্র এখন 7,289 বিলিয়ন ডলার রিজার্ভ করা রয়েছে। তাছাড়া পাকিস্তানের সরকারকে বিলিয়ন ডলার লোন মেটাতে হবে।

আর এখন তাই অর্থবীদদের মতে যদি পাকিস্তান কোন প্রকার বড় ইন্টারন্যাশনাল আউট প্যাকেজ না পায় তবে 2020 সালের সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যেই পাকিস্তানের সরকার দেউলিয়া হয়ে যাবে।

Related Articles

Close