ভয়ে কাঁপবে শত্রুপক্ষ, ভারতীয় ডিফেন্স ফোর্সের হাতে আসতে চলেছে 100 টি হেরন ড্রোন মিসাইল…

ভারত-চীন সীমান্তে  এখনো পর্যন্ত লড়াই চলছে দুই দেশের মধ্যে । বৈঠকের মাধ্যমে চীনের তরফ থেকে বার বার পিছু হাঁটার কথা বললেও এখনো পর্যন্ত সীমান্তে চীনের সেনারা পিছু হাঁটতে রাজি হয়নি। তাই তাদেরকে কড়া ভাষায় জবাব দেওয়ার জন্য তৈরি ভারতীয় সেনা। এই ভারতীয় সেনা বাহিনীকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে মরিয়া প্রতিরক্ষামন্ত্রক। জানা গিয়েছে, সামরিক শক্তি আরো বাড়ানোর জন্য 100 টি মিসাইল সহ হেরন ড্রোন আনছে ভারতের ডিফেন্স ফোর্স। খবর সূত্রে জানা গিয়েছে যে,”100 টি হেরন ড্রোন কেনার প্রস্তাব নিয়ে তৈরি হচ্ছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক।

এবার শুধুমাত্র অনুমোদন পাওয়ার অপেক্ষা। “আকাশ পথে শত্রুপক্ষকে কড়া জবাব দিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।” জানা গিয়েছে এই ড্রোন গুলি লেসার বোম্ব দিয়ে সাজানো থাকবে। এবং এটি অনেক দূর পর্যন্ত উড়তে সক্ষম। শুধু তাই নয় ভারতীয় সেনার হাতে আসছে স্পাইক অ্যান্টি ট্যাংক গাইডেড মিসাইল। এই কাজ কয়েক বছর ধরেই পেন্ডিং পড়ে রয়েছিল। বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতের শত্রু দেশের সংখ্যা বাড়ছে তাই এই সিদ্ধান্ত ভারতের সামরিক শক্তি কে আরো বেড়ে যাবে বলে মনে করেছেন অনেকেই।


বর্তমানে এই হেরন ড্রোন দিয়ে বায়ুসেনারা লাদাখ সীমান্তে নজরদারি চালাচ্ছে। তবে এই লাদাখ সীমান্তে আরোও ড্রোন প্রয়োজন বলে জানানো হয়েছে বায়ুসেনার তরফ থেকে। তাই কেন্দ্রের তরফ থেকে আরও ড্রোন কেনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে এই ড্রোনটি উপরে টানা দু’দিন ধরে উড়তে সক্ষম।যেমনি প্রতিকূল আবহাওয়া হোক না কেন এই ড্রোনের কার্য ক্ষমতা একই থাকবে। বায়ুসেনার প্রজেক্ট চিতার আওতাধীন এই ড্রোন নিয়ে আসা হবে।


অপরদিকে আবার স্পাইক অ্যান্টি ট্যাংক মিসাইলের জন্য ইজরায়েলের সাথে চুক্তি করতে চাইছে ভারতীয় বায়ুসেনা। এর আগে ভারতীয় বায়ুসেনা 200 টি স্পাইক মিসাইল এবং 12 টি লঞ্চার কেনে। জানা গিয়েছে ড্রোনের ঘাঁটি তৈরি করার জন্য চীন সীমান্তে 60 একর জমি নিতে চলেছে ভারতীয় বায়ুসেনা। সেখানেই বেস বানানো হবে। এখান থেকেই হেরন ড্রোন দ্বারা নজরদারি চালাবে বায়ুসেনা। বলে রাখি এই শক্তিশালী হেরন ইতিমধ্যে ভারতীয় নৌসেনা, সেনা বাহিনী ও বায়ুসেনার ব্যাপকহারে ব্যবহার করা হচ্ছে।এর টার্গেট অ্যাকুইজিশন ব্যাটারিটি যথেষ্ট উন্নত মানের। বলে রাখি আপাতত লাদাখ সেক্টরে হেরন ড্রোন দিয়েই নজরদারি চালাচ্ছে বায়ুসেনা।