পাথরবাজী করতে গিয়ে ফারজানা কে ধরে ফেলল ভারতীয় সেনা! তার সাথে যা করা হলো প্রত্যেক ভারতীয় জানা উচিত।

জম্মু-কাশ্মীরে সেনাদের উপর পাথরবাজি এর আগে অনেকবার হয়েছে। আর সেনাদের কাছে এটা এখন মূল সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কাশ্মীরের মূল সমস্যা হল জিহাদ, কট্টর পন্থীরা গোটা কাশ্মীর জুড়ে জিহাদ করে যেটাকে সাধারণ মানুষেরা আতঙ্কবাদী বলে মনে করে। ভারতীয় সেনা জাওয়ানরা আতঙ্কবাদীদের ওপর হামলা করলে পাথর বাজরা সেনাদের উপর ধেয়ে আসে।ভারতীয় সেনারা এখন পাথরবাজ দের ঠিকঠাকভাবে সামলাতে পারে এবং তাদের ধরে থার্ড ডিগ্রী দেয়। তবে বর্তমানে মহিলা পাথরবাজরা ভারতীয় সেনাদের সবথেকে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কট্টরপন্থীরা কাশ্মীরের যুবকদের জান্নাতের লোভ দেখিয়ে ব্রেইন ওয়াশ করত।

 

 

 

 

কিন্তু বর্তমানে কাশ্মীরের স্কুল-কলেজে পড়া যুবতীদের ব্রেন ওয়াশ করতে শুরু করে দিয়েছে কাশ্মীরে কট্টরপন্থীরা যা সেনাদের কাছে খুবই সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি কাশ্মীরের ঘাঁটিতে সেনা অপারেশন চলাকালীন সেনাদের উপর পাথর ছোড়া হয় যা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তোলপাড় হয়ে যায়। এবার স্কুল কলেজের মেয়েরা সেনাদের উপর পাথর বাজি শুরু করেছিল। ভারতীয় সেনা পাল্টা জবাব দিতে পাথরবাজদের উপর কার্যবাহী শুরু করলে মেহবুবা মুফতি এবং ওমর আব্দুল্লা এর বিরোধ জানাই। যদিও ভারতীয় সেনা তাদের কথা শুনেন নি তারা কার্যবাহী চালু রেখেছে। আসলে সবারই মনে এখন প্রশ্ন জাগছে যে, যুবক পাথর ছুড়লে তাদেরকে ধরে তো থার্ড ডিগ্রী দেওয়া হয় কিন্তু মহিলারা যখন পাথর ছুড়ছে, তাহলে তাদের উপর কী অন্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে?

 

 

আসলে মেয়ে পাথরবাজদের নিয়ে সেনারা খুবই চাপে থাকে, কারন মেয়ে পাথর বাজের উপর সেনারা কোনো কড়া পদক্ষেপ নিতে পারে না। তাই মেয়ে পাথর বাজি ধরতে মহিলা পুলিশ ও মহিলা সেনার সাহায্য নেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। শুধু এই নয় মেয়ে পাথর বাজরা এটা করে কারণ তাদের কে ব্রেন ওয়াশ করে বোঝানো হয় যে ভারত কাশ্মীরি দের উপর অত্যাচার করে। ভারতীয় সেনা যখন কোন মেয়ে পাথরবাজ দের ধরে। তখন সেনারা মহিলা পাথরবাজদের নিজেদের ক্যাম্পে নিয়ে আসে এবং তাদের বাড়ির লোককে ডেকে পাঠায়। এরপর বাড়ির লোককে সতর্কবার্তা দেওয়া হয় এবং ওদের ছেড়ে দেওয়া হয়। বেশ কয়েকদিন আগে ফারজানা নামক এক মহিলাকে ভারতীয় সেনা ধরেছিল। ফারজানা 12 শ্রেণীতে পড়াশোনা করে।

 

 

 

 

 

 

 

সেনারা তার বাবা মাকে ডেকে পাঠায় এবং সতর্কবার্তা দিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়। আজও পর্যন্ত ভারতীয় সেনা মহিলাদের উপর হাত না উঠিয়েই নিয়ম মেনে চলে। তবে এই ভাবে দিন দিন মহিলা পাথর বাজের সংখ্যা বেড়েই চলছে। আপনারা কি মনে করেন এইভাবে মহিলা পাথর বাজবে সতর্ক দিয়ে ছেড়ে দেওয়াটা কি উচিত না তাদেরও ছেলেদের মতো থার্ড ডিগ্রী দেওয়া উচিত?এ বিষয়ে আপনাদের কি মতামত তা আমাদের অবশ্যই জানান আরো এরকম নতুন নতুন খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের ওয়েব পোর্টালটিতে।