চীন-পাকিস্তানের রাতের ঘুম উড়িয়ে এবার 114 টি জেট বিমান কিনতে চলেছে ভারত

ভারত রাফেল কিনতে 10 বছরেরও বেশি সময় লাগিয়ে দিয়েছে। অনেক বছর সময় নেওয়ার কারণে অন্যান্য শক্তিধর দেশগুলোর তুলনায় ভারতীয় বায়ুসেনা কিছুটা হলেও পিছিয়ে পড়েছে। প্রায় এক দশক ধরে নতুন কোন যুদ্ধবিমান কিনতে পারেনি ভারত। ঠিক এমন একটি যুদ্ধ কালীন তৎপরতায় 114 টি বিমান কেনার প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারতীয় বায়ুসেনা। কারণ মিক যুদ্ধবিমান গুলিকে বাতিল করার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু করে দিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা।

আর যথাসময়ে নতুন যুদ্ধবিমান না থাকলে দেশের নিরাপত্তাকে একটি বড়সড় প্রশ্নের মুখে ফেলে দেবে।
রাফাল যুদ্ধবিমান গুলি চুক্তি 126 থেকে 36-এ নেমে আসার পর থেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন ভারতীয় বায়ুসেনা। ভারতীয় বায়ুসেনা তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয় অবিলম্বে 114 টি বিমান দরকার। আর 114 টি বিমান কিনতে 15 বিলিয়ন যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় 1500 কোটি টাকার চুক্তি করতে রাজি ভারতীয় বায়ুসেনা। এই বিরাট অংকের টাকার চুক্তির কথা শুনে নানান সংস্থা অর্ডার নেওয়ার জন্য দৌড়ঝাঁপ শুরু করে দেয়।

যার মধ্যে রয়েছে বোইং, লকহিড মার্টিন, ইউরো ফাইটারদের মতন নামিদামি আন্তর্জাতিক সংস্থা। তাই ভারত ও চাইছে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিমানের এই শূন্যস্থান পূরণ করা। খবর সূত্রে জানা গেছে অন্যান্যবার বিমান কেনাতে বিলম্ব দেখা গেছে ততোই বায়ু সেনাবাহিনীর ক্ষতি হয়েছে। তাই ভারতীয় বায়ুসেনা এবার দেরি করতে চায় না। উল্টোদিকে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানের কাছে অত্যাধুনিক এফ-16 বিমান থাকলেও ভারতে এখন কিছুটা হলেও পিছিয়ে রয়েছে। রাফাল এলে অবশ্য এটি পূরণ হয়ে যাবে।

তবে সমস্যা হচ্ছে মাত্র 114 টি রাফায়েল কখনোই ভারতীয় বায়ুসেনাকে পূর্ণ শক্তি প্রদান করতে পারবে না কখনোই। সেই কারণেই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই চুক্তি সেরে ফেলতে চাইছে বায়ুসেনা। খবর সূত্রে জানা গেছে এই চুক্তির জন্য যে টেন্ডার দেওয়া হবে তাতে ড্যাসেল্ট এভিয়েশন থাকবে না। এর কারণ হলো এই সংস্থাটি ভারতের জন্য বর্তমানে 36 টি রাফাল তৈরি করার জন্য ব্যস্ত রয়েছে। ফলে বাকি কোম্পানি গুলির মধ্যে যেকোনো একটি কোম্পানি 114 টি যুদ্ধবিমান তৈরি করার বরাত পেতে পারে। তবে 114 টি যুদ্ধবিমানের বরাত একটি সংস্থায় পাবে, না সংস্থাগুলিকে ভাগ করে দেওয়া হবে সেই সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত কিছু জানায়নি ভারতীয় বায়ুসেনা।