কংগ্রেস রাফেল ডিলে লেগে আছে, আর অন্যদিকে সেনা পেয়ে গেল দুনিয়ার শক্তিশালী পুরস্কার !

বিগত সরকারের শাসনে কেবল ঘোটালা নিয়েই আলোচনা উঠতো কখনো বোফর্স ঘোটালা, কখনো জিপ ঘোটালা, আবার কখনো সাবমেরিন ঘোটালা নিয়ে আলোচনা উঠত কিন্তু ,যখন থেকে ভারতে মোদীজির শাসন সামলেছেন ,একদিকে যেমন দেশের উন্নতি হয়েছে তেমনই অপরদিকে এবার সেনা কে কিভাবে আরো শক্তিশালী করা যায় সে নিয়ে আলোচনা উঠতে থাকে। আজ ভারতীয় বায়ুসেনা আমেরিকা এবং দুনিয়ার সবথেকে শক্তিশালী এবং আধুনিক হাতিয়ার পেয়ে গেছে। এটি একদিকে যেমন লাদেনের সমাপ্তি করেছে এবং অপর দিকে এটাও মনে করা হচ্ছে যে এই হাতিয়ার টিকে এবার পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধের জন্য বর্ডারের মধ্যে নিয়ে আসা হবে।

সোমবার থেকে ভারতীয় বায়ুসেনার শক্তি এবার আরো বেড়ে যাবে কারণ আমেরিকী কম্পানির বোয়িং এর তৈরি করা চিনুক CH-৪৭ আই হেলিকপ্টার এবার ভারতীয় বায়ুসেনার কাছে আসতে চলেছে। চিনুক সিএইচ -৪৭ আয় হেভি লিফট খুবই শক্তিশালী এবং একটি অ্যাডব্রেষ্ট মাল্টি মিশন হেলিকপ্টার। এটি দেশকে যুদ্ধ করতে সাহায্য করবে, ভারতীয় বায়ুসেনা সঙ্গে এটি যুক্ত হওয়ায় ভারতীয় সেনার শক্তি দ্বিগুণ বেড়ে যাবে। তবে আপনাদের জানিয়ে দিই যে, চিনুকের এই এককৃত টিতে ডিজিটাল কঙ্কপিত ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম আছে , এবং এটির দ্বারা হেলিকপ্টারটি বিভিন্ন ভৌগোলিক পরিস্থিতির মধ্যেও সক্রিয়ভাবে কাজ করবে। যদিও ভারত ছাড়াও ২৬টি দেশের কাছে এটি আগের থেকেই রয়েছে , ভারত এই হেলিকপ্টারটি ১৫ বছর আগেই পেয়ে যেত কিন্তু দেশকে ভালো ভাবে পরিচালিত করার জন্য কোন নেতা ভারতে ছিল না । ভারতের নেতারা কখনোই জনগণের দ্বারা পাওয়া ভোটকে ভালো কাজে ব্যবহার করতে পারেনি আর এর ফল পুরো দেশকে তার সঙ্গে ভারতীয় সেনাদল কেউ ভুগতে হয়। বইং সিএইচ -৪৭ চিনুক ডবল ইঞ্জিন দ্বারা একটি হেলিকপ্টার এবং এটি সূচনা ১৯৫৭ তে হয়েছে, তখন থেকে শুরু করে ক্রমাগত ২৬ টি দেশ একটির ওপর বিশ্বাস যুগিয়েছেন।

যেগুলির মধ্যে ভিয়েতনাম যুদ্ধ, ইরান, এবং লিবিয়া ও আফগানিস্তানের মতো দেশেও এই হেলিকপ্টারটি তার যথার্থ ক্ষমতা দেখিয়েছে। চিনুক সিএইচ- ৪৭ খুব সহজে ১১ হাজার কিলো পর্যন্ত হাতিয়ার এবং সৈনিকদের উঠিয়ে ফেলতে পারে। ৩১৫ কিলোমিটার এর দ্রুতগতিতে এই হেলিকপ্টারটি উড়ে এবং এই হেলিকপ্টার টির মধ্যে কম্পানি অনেক কিছুই বদল করেছে। যেটিতে কাংকপিত , রেটার ব্লেড এবং অ্যাডভান্সড ফ্লাইট কন্ট্রোল এর মত পরিবর্তন ও করা হয়েছে। আপনাকে জানিয়ে দিই যে, হিমালয় পর্বতের ক্ষেত্রটিতে এই হেলিকপ্টারটি অনেক বেশি লাভ দায়ক হতে পারে। কারণ এটি কে ছোট ছোট হেলিপ্যাড এর সাথে সাথে , ছোট ছোট ঘাঁটি গুলিতেও ল্যান্ড করা যেতে পারে। চিনুক কে সর্বপ্রথম নেদারল্যান্ড ২০০৭ তে কিনেছিল, অর্থাৎ এই হেলিকপ্টারটিকে প্রথম একজন বিদেশী ই কিনেছিল।

যদিও আমেরিকা এটিকে ১৯৬২ সাল থেকেই ব্যবহার করে চলেছে, অপরদিকে ২০০৯ এ কানাডা এবং ডিসেম্বর ২০০৯ এ ব্রিটেন এটিকে অপগ্রেডেড এ কিনেছিল। চিনুক সি এইচ- ৪৭ ,১৮ ফিট উচ্চ এবং ১৬ ফিট চওড়া। চিনুক টি চালানোর জন্য পাইলটদের ট্রেনিং অক্টোবর ২০১৮ থেকে শুরু হয়ে গেছে। শেষ পর্যন্ত ভারতীয় বায়ুসেনা আমেরিকার দ্বারা নির্মিত হেলিকপ্টারটি পাবে, এবং এটি সবচেয়ে অ্যাডভান্স টেকনোলজির।এতে ভারতীয় সেনার শক্তি বহুগুণ বেড়ে যাবে।

Related Articles

Open

Close